সিসি ডেস্ক, ২৩অক্টোবর।। মা না ছেলে? কে হচ্ছেন নৌকার কাণ্ডারি- এই আলোচনা এখন পীরগঞ্জজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অথবা তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান পীরগঞ্জবাসী। তবে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবারও শিরীন শারমিন চৌধুরীকেই মনোনয়ন দিতে চান প্রধানমন্ত্রী। এদিকে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও আছেন গণসংযোগে।
পীরগঞ্জ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যেমন শ্বশুরবাড়ি, তেমনি বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের পিতৃভূমি। তাদের কেউ প্রার্থী হলে এ আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকার পাশাপাশি প্রভাব পড়বে আশপাশের আসনেও। অষ্টম সংসদ নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হলেও নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পান শেখ হাসিনা।
২০১৪-র ভোটে জয়ী হয়ে শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার হন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তৃণমূল নেতারা বলছেন, পীরগঞ্জে এবার কে ভোটে লড়বেন সে সিদ্ধন্ত দেবেন দলীয় সভাপতি।
অন্যদিকে, জয় দিয়ে হারানো গৌরব ফিরে পেতে মরিয়া জাতীয় পার্টিও। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সবুজ সংকেত পেয়ে লাঙ্গলের প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন নূরে আলম যাদু। তার দাবি, এখানে বহিরাগত কেউ সংসদ সদস্য হোন স্থানীয়রা তা চান না।
তবে, বেকায়দায় আছে দ্বন্দ্ব-বিভক্তিতে জর্জরিত বিএনপি। ধানের শীষের প্রার্থী হতে পারেন রংপুর জেলা সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনবার ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দুইবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন রংপুর-৬ আসনে। পীরগঞ্জ উপজেলার এক পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ নির্বাচনী এলাকা তাই ভিভিআইপি আসন হিসেবেই পরিচিত।
উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন