সিসি ডেস্ক, ২ জানুয়ারি ।। রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা, ময়মনসিংহ, শ্রীমঙ্গলে ও রংপুরে মৃদু থেকে থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে গেলেও পঞ্চগড়ের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র শৈত্য প্রবাহ। এ শৈত্য প্রবাহ আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এসব এলাকায় চলাচলকারী নৌযানসমূহকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে দেশের নদী বন্দরে কোন সতর্ক সংকেত জারি নেই।
এদিকে তীব্র শীতে দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। আজ বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
এছাড়াও রংপুরের রাজারহাটে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮, চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৩ এবং শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
নীলফামারীতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা
গত কয়েক দিন থেকে নীলফামারীসহ উত্তরের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে বইছে মৃদ শৈত্যপ্রবাহ। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ বুধবার নীলফামারীর তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। কনকনে শীতে নি¤œ আয়ের ও ছিন্নমূল মানুষেরা বেকায়দায় পড়েছে। তারা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা শহরে গড়ে ওঠা গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে গরম কাপড় কেনার জন্য শীতার্ত মানুষদের ভীড় লেগেছে। জেলা ও উপজেলা সদরের হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক বেশি। প্রতিদিন গড়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০-৫৫ জন শীতজনিত রোগী ভর্তি হচ্ছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসন সূত্রে, ইতিমধ্যে জেলায় ১৪ হাজার ৪ শত শীতার্ত মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। মজুত রয়েছে আরো ২ হাজার শীতবস্ত্র।