সিসি ডেস্ক, ৩১ জানুয়ারী॥ নদী কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পর রোববার সার্বিক পরিস্থিতির প্রতিবেদন জমা, আর এরপরই নদী দখল ও উচ্ছেদ বিষয়ে নির্দেশনা দেবে হাইকোর্ট। দুপুরে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হলেও কদিন পরই ফেরে টআগের চিত্র। একে কানামাছি খেলা হিসেবে অভিহিত করে, এ অবস্থা বন্ধ হওয়া উচিত বলেও মনে করে আদালত।
এর আগে বুধবার হাইকোর্ট তুরাগ নদীকে লিগ্যাল পারসন বলে ঘোষণা করে, যা দেশের সব নদ-নদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। উচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে দেশের সব নদ-নদীর আইনি অধিকার স্বীকৃত হবে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী।