• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন |

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ

সিসি ডেস্ক, ৫ এপ্রিল।। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ বিল তৈরি করে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এছাড়া নানা অনিয়মের অভিযোগ আছে মাঠ পর্যায়ের শতাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিশ্চিত করে, দোষীদের বদলি ও ১৫ দিনের মধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান। একই দিনে খুলনা ও গাইবান্ধা যাওয়ার কথা বলে যাতায়াত খরচ ও সম্মানী ভাতা তুলেছেন তিনি। আর এই অনিয়মের তথ্য এসেছে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে। এ বিষয়ে সরাসরি কথা না বলেও, মুঠোফোনে মুজিবর বলছেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে তার নাম উঠেছে প্রতিবেদনে।
২০১৫ সালের তদন্তে অবৈধভাবে টাকা তোলার অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮ জন কর্মকর্তার নামে। এর মধ্যে ছিলেন সাবেক মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামালও। ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেননি তিনি। এনিয়ে তিনি মুখ না খুললেও, অভিযোগ অস্বীকার করছেন বেশ কজন।
সেই তদন্ত প্রতিবেদনটিই আবারো সামনে আনেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। দোষী কর্মকর্তাদের বদলি ও ১৫ দিনের মধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
শিক্ষাবিদেরাও বলছেন, দুর্নীতি দূর করতে না পারলে শিক্ষায় উন্নয়ন সম্ভব নয়।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তদারকিতে কার্যকর মনিটরিং টিম করার আহ্বানও শিক্ষাবিদদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ