• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন |

বিয়ের ট্রলার ডুবে প্রাণ গেল কনেসহ ৭ জনের

সিসি ডেস্ক ।। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মেঘনা নদীতে বিয়ের ট্রলার ডুবে কনেসহ সাতজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চানন্দি ঘাটের পশ্চিমে মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ট্রলারে অন্তত ৮০-৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। এখনও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।

নিহত সাতজন হলেন- বিয়ের কনে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের আজিম নগর গ্রামের মো. ইব্রাহিমের মেয়ে তাসলিমা বেগম (২১), নোয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের আকবর হোসেনের মেয়ে আফরিন আক্তার লামিয়া (০২), আলমগীরের মেয়ে লিলি আক্তার (০৮) ও একই গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে আসমা বেগম (১৯), হাতিয়া উপজেলার নাছিরপুর কালাদুর বাজার এলাকার ফয়েজ উল্যাহর মেয়ে হোসনেয়ারা বেগম রূপা (০৫), হাতিয়ার পূর্ব আজিমনগর গ্রামের আলাউদ্দিনের স্ত্রী রাহেনা বেগম (৩০), একই গ্রামের খোরশেদ আলমের স্ত্রী নূরজাহান (৬৫)।

এ ঘটনায় মেঘনার পাড়ে চলছে শোকের মাতম। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে পুলিশ ও কোস্টগার্ড কাজ করছে। তবে বিয়ের বর ভোলার মনপুরা উপজেলার কলাতলী গ্রামের শরীফ হোসেনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

হাতিয়া থানার ওসি মো. আবুল খায়ের জানান, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের পূর্ব আজিমনগর গ্রামে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চানন্দি ঘাট থেকে ভোলার মনপুরার কলাতলী গ্রামের উদ্দেশ্যে ট্রলারযোগে যাত্রা করে বরপক্ষ। যাত্রীবাহী ট্রলারটিতে নারী ও শিশুসহ ৮০-৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। ট্রলারটি মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চানন্দি ঘাট থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে টাংকিরখাল-ঘাসিয়ারচর এলাকার মেঘনা নদীতে তীব্র স্রোতের তোড়ে উল্টে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা, হাতিয়া ও লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানা পুলিশ ও নৌপুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে ৭ জনের লাশ এবং ৪০-৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে বর শরীফ হোসেনও রয়েছেন। এছাড়া ট্রলারডুবির সময় অনেকে সাঁতরে তীরে ওঠেন।

হাতিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির আইসি পুলিশ পরিদর্শক একরাম হোসেন জানান, তারা ৭ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন। এ ঘটনায় আরও অর্ধশতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে টাঙ্কির বাজার ঘাট থেকে ৫ জনের এবং শান্তিপুর ঘাট থেকে দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ