সিসি নিউজ ।। সারা দেশের মতো উত্তরের জেলা নীলফামারীতেও শুরু হয়েছে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ। বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের বুথে প্রথম ভ্যাকসিন নেন ওই হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স জেসমিন নাহার সেতু। এরপর ক্রমান্বয়ে সাংবাদিকদের পক্ষে দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক মীর মাহমুদুল হাসান, পুলিশ বিভাগের পক্ষে সদর থানার পরিদর্শক মাহমুদ-উন-নবী, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবিরসহ কয়েকজন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
এ উপলক্ষে জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন সাবেক মন্ত্রী ও নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর। এছাড়াও জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বিপিএম, পিপিএম, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে আটটি বুথ ছাড়াও বাকী পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনটি করে এবং সৈয়দপুর সিএমএইচে একটিসহ জেলায় মোট ২৪টি বুথে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। প্রথম ধাপে নীলফামারী জেলার জন্য ৬০ হাজার টিকা পেয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এসব টিকা ৩০ হাজার মানুষের মধ্যে প্রয়োগ করা হবে।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৫টি ক্যাটিাগরীর মানুষ ছাড়াও পর্য়ায়ক্রমে জেলার সব মানুষ টিকার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির।
সৈয়দপুর ১০ শয্যা হাসপাতাল বুথে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স সুপারভাইজার রাহেনা বেগম। তাঁর বাসা শহরের নতুন বাবুপাড়ার হাজী কলোনীতে। এরপর ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আবু মো: আলেমুর বাশার, ১০০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবোধায়ক ডা: মো: শহীদুল্লাহ।
আজ এ বুথে ১০ জন এবং সৈয়দপুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল বুথে আরো ১০ জনকে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। সৈয়দপুর উপজেলায় ৮ হাজার ৬৫০ ডোজ টীকা ইতিমধ্যে পৌছেছে। অপরদিকে করোনার টীকার জন্য এ উপজেলার ৯০১ জন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে।