• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন |

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১ এপ্রিল

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছপদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীরা ১ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন। গুচ্ছভুক্ত পরীক্ষা শুরু হবে ১৯ জুন থেকে। যেসব শিক্ষার্থী ন্যূনতম যোগ্যতা থাকবে তাদের সবাই প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন। এই আবেদনে শিক্ষার্থীদের কোনো ফি দিতে হবে না।

সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।

আবেদনকারীরা ১ জুন থেকে ১০ জুনের মধ্যে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষা ১৯ জুন থেকে শুরু হবে। ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট (www.gstadmission.org এবং www.gstadmission.ac.bd) ও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ২০১৯ বা ২০২০ সালে এইচএসসি/আলিম ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তারাই আবেদন করতে পারবেন। ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর বিজ্ঞান শাখার জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৮.০, বাণিজ্য শাখার জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৭.৫ এবং মানবিক শাখার জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৭.০ থাকতে হবে। তবে প্রত্যেক শাখাতে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে। শুধু এ বছরের জন্যই গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯ ও ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

তবে আগামী বছর থেকে পূর্ববর্তী বছরের পাস করা অর্থাৎ সেকেন্ড টাইমার শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না বলে জানা গেছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিক আবেদনকারীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফলাফল ২৩ এপ্রিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে। গুচ্ছভুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে যতজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ রয়েছে মেধার ভিত্তিতে ততজন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্ত আবেদন করার সুযোগ দেয়া হবে।

প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা জমা দিয়ে ২৪ এপ্রিল থেকে ২০ মে তারিখের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য চূড়ান্ত আবেদন করতে হবে। সব পরীক্ষা নির্দিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রে একযোগে দুপুর ১২টায় শুরু হবে।

একজন শিক্ষার্থী কমপক্ষে পাঁচটি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন/চয়েস করতে পারবেন। ২০১৯ সালের পাস করা শিক্ষার্থীরা বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘কেন্দ্র’ হিসেবে চয়েস বা পছন্দ করতে পারবেন না। প্রয়োজনে চয়েস করা নির্দিষ্ট কেন্দ্রের বাইরেও পরীক্ষা দিতে হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ