• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন |

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। শিক্ষামন্ত্রী ডা.  দীপু মনি বলেছেন, ‘করোনার সংক্রমণের হারে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক  পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদের পর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। আজ করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং আগামীকালের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে কিনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘নিশ্চিত থাকতে পারেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সর্বোচ্চ নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এই  আলোচনা সভার আয়োজন করে। শিক্ষামন্ত্রী সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী জানান, ‘ঈদের পরে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া আছে। করোনার বর্তমান যে অবস্থা তাতে এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ঠিক হবে না। আজ এ বিষয়ে মিটিং আছে। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তবে এটুকুই বলতে পারি ঈদের পরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে। তবে কবে খোলা হবে সেটি আমরা পরিস্থিতি বিবেচনায় জানাতে পারবো।’

দেশে পুনরায় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে বলে গত ১৫ মার্চ সচিবালয়ে জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি আরও একদফা বাড়ানো হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্তের পর ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ সময়ে অনলাইনে এবং সংসদ টিভিতে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রয়েছে।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩০ মার্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ৩০ মার্চ। ফলে ছুটি বাড়ানো না হলে পরদিন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে। তবে বিষয়টি পুরো নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও একদফা ছুটি বাড়তে পারে।

অপরদিকে আগামী ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ