মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের সকল কল-কারখানা, গার্মেন্টস ও গণপরিবহন চালু থাকলেও শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তাহলে কি শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই করোনার প্রাদুর্ভাব রয়েছে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ রাখার কারণে তরুণ সমাজ বিভিন্ন ধরনের নেশাই আকৃষ্ট হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীরা নেশার আগ্রাসন থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিকল্প নেই। তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গ্যামের আসক্তিতে পড়েছে। আসক্তি থেকে ফেরানোর জন্য অবিলম্বে অনলাইন গেমস বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
শিক্ষার্থীরা আরো বলেন,ছাত্রদেরকে স্কুল কলেজে যাওয়ার পরিবেশ তৈরী করে দিন।তাদেরকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যাবস্থা করে দিন এবং যে সকল ছাত্রের চাকরির বয়সসীমা উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তাদের বয়সের সীমা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। মে পরিকল্পনার আওতায় সকল গার্মেন্টস,অফিস-আদালত ও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে।সেই একই পরিকল্পনা করে স্কুল কলেজ চালু রাখার আহ্বান জানানো হয়।