এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে ঝড় বৃষ্টির পর দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। এরই সূত্র ধরে বেল্লালের বাসার গেটের তালা ভাঙলে বাসায় ঢুকে তার লাশটি পড়ে থাকতে দেখতে পান তারা। পরে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার এস আই রাশেদ বলেন, আমরা অর্ধ গলিত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে বেল্লালের স্ত্রী শাহিনা বেগম (২৮) বলেন, ঝগড়া বিবাদের কারণে গত ডিসেম্বর বাবার বাসায় চলে যান তিনি। তারপর থেকে তার স্বামী বড়বোন দুলালী বেগমের (৪০) বাসায় থাকে। এক সপ্তাহ পর তালাকের একটি নোটিশ পেলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য চেষ্টা করেও কোনো ফল পাননি তিনি। তাকে একতরফা ভাবে তালাক দেয় বেল্লাল।
গত ২৮ মে বেল্লাল নিজের ভুল স্বীকার করলে পুনরায় বিয়ে করেন তারা। এরপর বেলালের বড় বোন দুলালী বেগমের কথাতে আবার অত্যাচার শুরু করে বেলাল। শাহিনা বেগম তার স্বামীকে বুঝিয়ে আবার ভালো ভাবে সংসার করতে রাজি করান ।
ঘরের আসবাবপত্র বড়বোনের বাসা থেকে আনতে চাইলে সাড়ে তিন লাখ টাকা পাওনা হিসেবে চান দুলালী বেগম। সেই টাকায় পর্যায়ক্রমে শোধ করার কথা জানান বেল্লাল। সোমবার শাহিনা বেগম বাবার বাসায় চলে আসলে বেল্লালের সাথে কোনো যোগাযোগ হয়নি তাঁর। আজকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ছুটে আসেন তিনি।