• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন |

সৈয়দপুরে দুর্ভোগ: বৃষ্টি হলেই হাটু পানি

।। আমিরুল হক ।। বৃষ্টি হলেই সড়কে হাটু পানি, পানি নিস্কাসনের কোন ব্যবস্থা নেই। কেনা-কাটা করতে আসা লোকজন চলাচল করছে দোকানের বারান্দা দিয়ে। আবার কেউ কেউ বারান্দা দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় কাদা মাটি সংযুক্ত হাটু পানি দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। রাতে বৃষ্টি হলে পানি সকালে নামে আর দিনে বৃষ্টি হলে সারাদিন লাগে পানি নামতে। এ সময় বন্ধ হয়ে যায় কেনা-কাটা। এই চিত্র নীলফামারীর সৈয়দপুর প্রমথ শ্রেণির পৌরসভার শহীদ ডা. শামসুল হক সড়কের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে রয়েছে পাইকারি ও খুচড়া কাপড়ের দোকান, কসমেটিক্স দোকান, পেপার হাউজ, স্বর্ণের দোকানসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক দোকান। প্রতিনিদিন প্রায় কোটি টাকার লেনদেন হয়ে থাকে। এখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে সড়কে। আবার কিছু দোকানগুলো পানির নিচে তলিয়ে যায়। তাই এসব মার্কেটে ঢুকতে দুর্ভোগে পড়ছেন ক্রেতারা। অথচ এসড়কের দোকান গুলো থেকে বছরে কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।

একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, শহরের অন্যতম প্রধান সড়কে দোকানগুলোতে পণ্য কিনতে আসা ক্রেতাদের যদি এভাবে কাদা যুক্ত পানি দিয়ে চলাচল করতে হয়, এই দুঃখ কাকে বুঝাব। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়। এ সড়কে পানি নিষ্কান ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা বাড়ছে। এটা বৃষ্টির মৌসুম, এসময় প্রায়ই বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিতে এমন জলাবদ্ধতা থাকলে তো ক্রেতা সংকটে পড়বো আমরা।

ক্রেতা মোহাম্মদ ওয়ালিউর রহমান রতন বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই দেখছি অল্প বৃষ্টিতেই এ সড়কে পানি জমে যায়। অথচ এখানে একাধিক বড় বড় বাণিজ্যিক দোকান রয়েছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে অতি দ্রুত পানি অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বাদশা ক্লথ স্টোরের মালিক বাবুজান পাপ্পু বলেন, সামন্য বৃষ্টি হলে এ সড়কে হাট পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশন ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় আমাদের পুরো বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। অথচ আমরা একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানিয়েছি। কিন্তু স্থায়ী সমাধানে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

সৈয়দপুর পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবী জানান, স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কিছুদিন আগে ওই সড়ক পরিদর্শন করেছি। দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পৌর পরিষদ ব্যবস্থা গ্রহন করবে। তখন আর এমন ভোগান্তি থাকবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ