• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

এটিএম বুথ থেকে আড়াই কোটি টাকা লুট

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। নারায়ণগঞ্জে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে ২ কোটি ৫৭ লাখ ১ হাজার টাকা লুট হয়েছে বলে জানা গেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে এসব লুটের সঙ্গে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ঢাকার এডিসি ডিভিশনের সিনিয়র অফিসার মীর মো. শাহারুজ্জামান ওরফে রনির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেয় অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

হাফিজ আক্তার বলেন, ২০১০ সাল থেকে শাহারুজ্জামান ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় অর্থ আত্মসাৎ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে আত্মগোপনে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই চক্র ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অনুমোদিত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ এলাকার বহুল শ্রমিক-সংবলিত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলায়। এরপর তাদের অ্যাকাউন্টের বিপরীতে এটিএম কার্ড সংগ্রহ করে। কার্ডগুলো সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে না দিয়ে চক্রের সদস্যরা নিজেদের কাছে রেখে দিতেন। পরে ওই কার্ডের অ্যাকাউন্টে নিজেরা ১০-২০ হাজার টাকা জমা রাখতেন। কিছুদিন পর এটিএম বুথ থেকে তারা টাকা উত্তোলন করতে যেতেন।

তিনি আরো বলেন, টাকা উত্তোলনের ১-২ মিনিট আগে শাহারুজ্জামানকে ফোন করে এটিএমের তথ্য জানাতেন। এরপর শাহারুজ্জামান সেন্ট্রাল মনিটরিং সার্ভার থেকে ওই এটিএমের যোগাযোগ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দিতেন। ওই সময় কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হলেও তা ব্যাংকের সেন্ট্রাল সার্ভারে উত্তোলন হয়নি বলে দেখাতো। টাকা উত্তোলন হয়নি এমন পরিবর্তিত জার্নাল তৈরি করতেন শাহারুজ্জামান। গ্রাহকের আড়ালে থাকা চক্রের সদস্যরা এটিএম থেকে টাকা উত্তোলনের পরও ব্যাংকের কাছে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করতেন।

১০ বছর ধরে ৬৩৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা লুট হয়। আর লুট করতে লেনদেন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৬৩টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ