• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন |

দিনাজপুরে জুন মাসে সংক্রামনের হার দ্বিগুনের বেশি

তাফহিমুল ইসলাম, দিনাজপুর।। দিনাজপুর সীমান্তবেষ্টিত জেলা হওযায় জুন মাসে বাড়তে শুরু করে করোনায় সক্রামন ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। গত তিন মাসে সংক্রামন হার বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। জুন মাসের প্রথম দিক থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল দিনাজপুরের করোনা সংক্রামন। সংক্রামন রোধে প্রথম ৭ দিন বিধিনিষেধ ও পরে ১৪ দিন কঠোর লকডাউন দিলেও আংশকাজনক হারে বাড়েছে এ জেলার করোনার সংক্রমন। মৃত্যু গত কয়েক মাস থেকে জুন মাসে বেড়ে দ্বিগুন দ্বারিয়েছে।

‍গত মাচ, এপ্রিল ও মে মাসে যেখানে মৃত্যু হয়েছিল ২৯ জনের, সেখানে জুন মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের এর মধ্যে ২৫ জনেই সদর উপজেলাতে। নতুন ১ জন মৃত্যুসহ জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ১৬৭ জন। জুন মাসে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় আক্রান্তের হার ৩৭ দশমিক ৮০ শতাংশে দিনাজপুর জেলার শনাক্তের হারের সর্বোচ্চ । যদি গত তিন মাসের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় গত মার্চ মাসে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ২ হাজার ৩২৮ জনের এর বিপরীতে আক্রান্ত হয়েছিল ১৪৬ । শনাক্তের হার ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ ও মৃত্যু হয়েছিল ৩ জনের। এপ্রিল মাসে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫৬৯ জনের বিপরীতে আক্রান্ত ৫৩৬ জন। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূণ্য ২ শতাংশ ও মৃত্যু ৮ জনের। মে মাসে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ২ হাজার ৮৫৮ জনের বিপরীতে আক্রান্ত ৪১৩ জন। শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ ও মৃত্যু ১৮ জনের। জুন মাসে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৭ হাজার ৪২ জনের বিপরীতে আক্রান্ত ২ হাজার ৬৬২ জন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৮০ শতাংশ ও মৃত্যু ৩৯ জনের যা জেলার সর্বচ্চ।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পযন্ত ৪৭হাজার ৪২৯জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ৮ হাজার ৪৬৮। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায়  এ জেলায় করোনা শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। বৃহস্পতিবার পর‌্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ১৯০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৩ দশমিক ১০ শতাংশ। । জেলায় বর্তমান করোনা রোগী রয়েছেন ২ হাজার ১১১ জন। তার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৪৮ জন। অবশিষ্টরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন।

দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. আবদুল কুদ্দুচ বলেন, গত তিন মাস থেকে জুন মাসে সংক্রামনের হার বেশি। জুন মাসে আমরা সংক্রমন রোধের জন্য ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন সফল ভাবে পালন করেছে এ জেলার মানুষ। তবে জুনে সংক্রামন বেশি হলেও জুলাইয়ে লকডাউনের সুফল পাবো বলে আশাকরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ