।। এস এম জামান ।। নীলফামারী শহরের উকিলের মোড়ের গৃহিনী শবনম মোস্তারী কেয়া ভুগছিলেন শ্বাসকষ্টে। বোনের এ অবস্থা দেখে ছোট ভাই তৌফিক আলম রশিদ অক্সিজেনের সন্ধানে নামেন। ঠিক এ সময় মনে পড়ে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ‘সংযোগ সৈয়দপুর’-এর কথা। দ্রুত ফোন দিয়ে অক্সিজেনের সেবার এ সংগঠনের সদস্য সচিবকে বিষয়টি অবগত করেন।
‘সংযোগ সৈয়দপুর’-এর সদস্য সচিব নওশাদ আনসারী জানান, সোমবার ভোর রাতে ফোন পেয়েই তাৎক্ষনিক স্বেচ্ছাসেবক সামিউল আলম ও খন্দকার আবিদা সুলতানাকে অক্সিজেন পৌছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা অক্সিজেন নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সকাল ৭টায় পৌছে যায় শ্বাষকষ্টের ওই রোগীর বাসায়।
স্বেচ্ছাসেবক সামিউল আলম ও খন্দকার আবিদা সুলতানা জানান, আমরা গিয়ে ওই রোগীর শরীরে অক্সিজেন সঞ্চালন ৮৭-৮৮ পাই। অক্সিজেন সংযোগ দিয়ে চলে আসি। পরবর্তীতে খোঁজখবর রাখছি। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে পূর্ণরায় গিয়ে অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে আসা হবে।
সংযোগ সৈয়দপুর’র আহবায়ক ইরফান আলম জানান, কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীসহ শ্বাষকষ্টে ভুগছেন এমন রোগীর পাশে দাঁড়াতেই এ সংগঠনটি গড়ে তোলা হয়েছে। ইকু গ্রুপের সহযোগিতায় বর্তমানে ‘সংযোগ সৈয়দপুর’-এ ২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ অন্যান্য উপকরণ রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবিদের যাতায়াতের ব্যয় বহন করে ওই প্রতিষ্ঠানটি।