• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন |

উৎপাদনে ফিরেছে নীলফামারীর শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো

সিসি নিউজ ।। করোনার শুরুতে কাঁচামাল সংকটের কারনে উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়েছিল চীন থেকে আমদানীকৃত কাঁচামাল নির্ভর নীলফামারীর শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। সে সময় শ্রমিক ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছিল এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান। কাঁচামাল সংকট দূর হওয়ায় আবারো উৎপাদনে ফিরেছে এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
সূত্র মতে, নীলফামারীর সৈয়দপুরের ননস্টিক তৈজস ও প্রেশারকুকার তৈরীর কারখানাটির নাম ‘রয়েলেক্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রি’। এখানে তৈরী হয় গ্যাসের চুলা, ব্লেন্ডার, প্রেশারকুকার, ননস্টিক তৈজসসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী। যার ৭০ শতাংশ কাঁচামাল আসে চীন থেকে।
এ ছাড়া উত্তরা ইপিজেড সহ রয়েছে ইকু পেপার মিল, আহমেদ প্লাউড কারখানা, স্যানিটারী ফ্যাক্টরী। যার সিংহভাগ কাঁচামাল আসে চীন থেকে। কিন্তু গত বছরের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে এক বছরের অধিক সময় ধরে বন্ধ ছিল এসব প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানি। এতে এ অঞ্চলের চীনা কাঁচামাল আমদানি ভিত্তিক ফ্যাক্টরীগুলোতে শ্রমিক ছাটাই করতে বাধ্য হয়েছিল। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০ শতাংশ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছিল।
রয়েলেক্স মেটাল ইন্ডাস্টির মালিক রাজকুমার পোদ্দার বলেন, ওই সময়ে উৎপাদন না হওয়ায় ব্যাংকের লোনের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করতে পারেনি বন্ধ প্রায়ই শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। তার ওপর বাজারে উৎপাদিত পণ্য দিতে না পেয়ে বকেয়া টাকাও আদায় করতে পারেনি মালিকপক্ষ। কিন্তু বর্তমানে চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি হওয়ায় সে সংকট কেটে গেছে। প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসেছে চাঞ্চল্য।
নীলফামারী চেম্বার অব কর্মাসের নির্বাহী সদস্য সিদ্দিকুল আলম জানান, চায়না থেকে কাঁচামাল আসায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা আবারো পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ছাটাইকৃত শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছে। এছাড়াও ক’মাস আগে চীন থেকে আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে তৈরী পণ্য যেমন স্যানীটারী, ছাপাখানা, বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশের মূল্য কমতে শুরু করেছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ