সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইদ্রিস আলী নামে এক ব্যাক্তিকে ঘায়েল করতে নতুন কৌশল অবলম্বন করেছেন প্রতিবেশি। তিনি আ’লীগ নেতার পরিবারকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করতে অপপ্রচার করছেন। সোমবার স্থানীয় ওয়ার্ড আ’লীগ নেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের ওই অভিযোগ করা হয়।
শহরের গোলাহাটস্থ নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মো. ইদ্রিস আলীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কামাল আহমেদ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০১০ সালে প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের স্ত্রী কোহিনুর বেগম জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইদ্রিশ আলীসহ পরিবারের সদস্যদের বিবাদী করে আদালতে মামলা করেন। পরে ২০১৮ সালে জুলাই মাসে আদালতের মাধ্যমে আপোষনামা করা হয়। আপোষনামায় বিবদামান জায়গা উভয়পক্ষ ব্যবহার করবে বলে সম্মতি জানানো হয়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা ওই আপোষনামা অমান্য করে ওই জমি নিজের দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এর আগে ২০০৪ সালে ওই বাড়ির (ইদ্রিস আলীর) পূর্বদিকের গলিপথ নিয়ে তিনি এলাকার ১৭ জন নিরীহ লোকের নামে মামলা করেন। ওই মামলায় বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় গত ৭ জুলাই ২০১১ সালের তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন। তারপরও তিনি বিভিন্নভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে আসছেন।
ইদ্রিস আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি আমাকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে জমি দখলের মিথ্যাচার করছেন। আমাকে হেনস্তা করতে রাজাকার বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দপুর ২নং পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্যানেল মেয়র হিটলার চৌধুরী ভলু বলেন, ইদ্রিস আলীর পুত্র কামাল আহমেদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা। তাঁর পিতাকে রাজাকার বলে অপবাদ ছাড়ানো হচ্ছে। প্রতিপক্ষ মতিউর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব ব্যবহার করে আওয়ামী পরিবারকে অযথা হয়রানি করছেন। এ হয়রানি বন্ধ না করলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আন্দোলনে নামবে বলে ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ডাব্লু, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ।