বিশেষ প্রতিনিধি।। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় বিভিন্ন বিপণীবিতান কেন্দ্রসহ পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠেছে ছোট বড় অসংখ্য চাইনিজ রেস্তোরাঁ। যেগুলোর অধিকাংশই অনুমোদনহীন।এসব রেস্তোরাঁয় ক্লাস ফাঁকি আড্ডা দিচ্ছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এমন অভিযোগ অভিভাবকসহ স্থানীদের। তাঁরা বলেন, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এভাবে আড্ডা দেওয়ায় আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলাতে চাইনিজ রেস্তোরা রয়েছে প্রায় ১১০ টি। এগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ বিপণীবিতান কেন্দ্র সৈয়দপুর প্লাজায়। এছাড়া রয়েছে বিপণীবিতান কেন্দ্র চৌধুরী টাওয়ার, ওয়াপদামোড়, বঙ্গবন্ধু সড়ক (রংপুর রোড), সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়ক,শহীদ ক্যাপ্টেন মৃধা শামসুল হুদা (বিমানবন্দর ) সড়কসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার অলিতে গলিতে। সরেজমিনে দেখা গেছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব রেস্তোরাঁয় বিভিন্ন বয়সীদের আনাগোনা। যাদের বেশিভাগ শিক্ষার্থী। স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়টাতে বেশি ভিড় দেখা যায়। এ সময়টাতে স্কুল কলেজের নির্ধারিত পোশাক পরিধান করেই ছেলে-মেয়েরা রেস্তোরাঁগুলোতে আড্ডা দিচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,অতিরিক্ত লাভের আশায় শিক্ষার্থীদের আড্ডার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালীন সময়ে স্কুল কলেজের পোশাকে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করতে না দেওয়ার দাবি তাঁদের। সেই সাথে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারাঁ।
আলমগীর হোসেন নামে স্থানীয় একজন বলেন, সৈয়দপুর প্লাজায় চাইনিজ রেস্তোরা ও ফুঁচকার দোকানগুলোতে সকাল থেকেই স্কুল-কলেজের পোশাকে ছেলে-মেয়েদের উপচেপড়া ভিড় থাকে। স্কুল-কলেজে যাওয়ার নাম করে শিক্ষার্থীরা সেখানে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়।
সৈয়দপুর প্লাজায় অবস্থিত সিঙ্গাপুর রেস্টুরেন্টের মালিক দাদোন আহমেদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই। ম্যানেজারকে বিষয়টি জানানো হবে। যাতে করে পাঠদান সময়কালীন শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে না পারে।
সৈয়দপুর সরকারী কলেজের সাবেক শিক্ষক হানিফ উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে ক্লাস ফাঁকি দিতে না পারে সে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অভিভাবকদের মনিটরিং করা উচিৎ।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম হুসাইন বলেন,আমি কর্মস্থলে নতুন। স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা যাতে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।