• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন |

সৈয়দপুরে ‘মুজিব ছায়া’ নির্মাণের সহায়তায় যুবলীগ নেতা ফিরোজ

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে ‘মুজিব ছায়া’ নির্মানে জমি দিয়ে সহায়তা করলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি বাইপাস মহাসড়কের পাশে দুই শতক জমি দান করে পুলিশের এ কার্যক্রমকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছেন।

থানা সূত্র মতে, যুবলীগ নেতার দানকৃত এ জমিতে বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের গৃহহীন ও ভুমিহীন গজেন্দ্র নাথকে ঘর বানিয়ে দেবে সরকার। জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৪৯৫টি থানায় গৃহহীনদের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করা হবে। যার নামকরণ করা হয়েছে ‘মুজিব ছায়া’।

সৈয়দপুর পৌরসভার কুন্দল মৌজার বিএস ২৪০ নম্বর খতিয়ানের ৫০৮ নম্বর দাগে অবস্থিত এ জমি। চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর তিনি সৈয়দপুর ভূমি অফিসের মাধ্যমে দলিল মুলে রেজিস্ট্রি করে দেন। যার বর্তমান বাজার মুল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা।

পারিবারিক ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত এ বঙ্গবন্ধু প্রেমী মোস্তফা ফিরোজ। ১৯৯২ সালে শুরু হয় তার ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক পথচলা। পর্যাায়ক্রমে ১৯৯৬ সালে সৈয়দপুর কলেজ ছাত্র সংসদে ভিপি নির্বাচিত হন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় থাকেন। সেখানে উচ্চতর ডিগ্রি লাভের পর সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ শাখার যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। ব্যবসা ও রাজনীতির পাশাপাশি দেশের প্রতিটি দুর্যোগময় মুহূর্তে তিনি সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন সহায়তা করে আসছেন।

মোস্তফা ফিরোজ বলেন, বাংলার মাটিতে আমার জন্ম। এদেশের আলো, বাতাস ও প্রকৃতি দেখে আমি বড় হয়েছি। এদেশের মানুষের দুঃখ, কষ্ট দেখলে আমি মন থেকে ব্যথিত হই। ছোট থেকে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে চেষ্ট করছি এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে। কারন আমি বঙ্গবন্ধুকে না দেখলেও তাঁর আদর্শ ও অসহায় মানুষের প্রতি যে ভালোবাসা সত্যি আমাকে অনুপ্রানিত করে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এ জায়গাটি নির্বাচন করা হয়। এখানে বসবাসকারীর মৌলিক অধিকার সমুন্নত থাকবে নিশ্চিত। আর বাড়িটি নির্মাণের পর চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে এক যোগে এ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে জমিদাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ