• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

নীলফামারীর ১১ ইউনিয়নে ৩৪ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিতে 

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) জেলা সদরের ১১টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে জেলা প্রশাসন রয়েছে কঠোর অবস্থানে।

নির্বাচনীয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশে বাধাসহ আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধে পুলিশ রয়েছে সর্তক। এই নির্বাচনে লড়ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬৪ জন, সংরক্ষিত আসনে ১৪৭ জন ও সাধারন ওয়ার্ড সদস্য পদে ৩৮৩ জন।
এ ছাড়া ১১টি ইউনিয়নের ১০০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপুর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) হিসাবে চিহ্নিত করেছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এর মধ্যে চওড়া বড়গাছায় ৩, গোড়গ্রামে ৪,পলাশবাড়িতে ২, রামনগরে ৪, কচুকাটায় ৩, প পুকুরে ২, সোনারায়ে ৩, সংগলশীতে ৩, চড়াইখোলায় ৩, চাপড়াসরমজামীতে ২ ও লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নে ৫টি কেন্দ্র।
গত মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ এবং র‌্যাব টহল দিচ্ছে। কাউকে বহিরাগত সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কাগজ-পত্রবিহীন মোটরসাইকেল পেলে জব্দ করা হচ্ছে। আজ বুধবার (১০ নভেম্বর) থেকে প্রচার প্রচারনা বন্ধ হয়ে যাবে।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা সুত্র মতে সদরের ১১টি ইউনিয়নের ১০টিতে রয়েছে ৯টি করে কেন্দ্র ও চড়াইখোলা ইউনিয়নের ১০টি। এতে সর্বমোট ১০০ টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে।
পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান জানান, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও পুলিশ এবং র‌্যাব টহল দিচ্ছে। বহিরাগত সন্দেহ হলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে ভোটারদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অবগত ও স¤পৃক্ত করা হচ্ছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইজিপি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি আমরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নির্বাচনের আগে-পরে পুলিশ সক্রিয় থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসন সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের আগে-পরে যেন কোনো সহিংসতা ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
বুধবার (১০ নভেম্বর) সকালে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আগামীকাল (১১ নভেম্বর) সদরের ১১টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১০০টি ভোট কেন্দ্রে ১’শ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৫৮৬ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৭২ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।
এতে ভোটর সংখ্যা রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১লাখ ৬ হাজার ৮৯৮জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ১০৭ জন।
উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর থেকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয় যা গত ৯ নভেম্বর শেষ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ