জয়পুরহাট প্রতিনিধি ।। বাজুস এর জয়পুরহাট জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে অনিয়ম, কারচুপিসহ ফলাফল প্রকাশে পক্ষপাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী নয়ন চন্দ্র মহন্ত। সোমবার বেলা ১১টায় জয়পুরহাট সোনার পট্টি এলাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন।
অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত সহ সভাপতি নিমাই চন্দ্র দাস, কোষাধাক্ষ্য জহুরুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক তপু পাল, নির্বাহী সদস্য মাসুদ রানা, বাজুস’র জয়পুরহাট জেলা শাখার সাধারন সদস্য রেজাউল করিম ও মোফাজ্জল হোসেনসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
নয়ন চন্দ্র মহন্ত অভিযোগে জানান, গত ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত বাজুস’র জয়পুরহাট জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে (২০২২-২০২৩ সাল) সাধারন সম্পাদক পদে তিনি ও রনজিত সাহা নামে অপর এক জন প্রতিদ্বন্দিতা করেন। ওই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম এ করিম নামে স্থানীয় এক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মোট ২২৯ জন ভোটারের মধ্যে ২২৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নয়ন বলেন, ‘ভোট গননাকালে সাধারন সম্পাদক পদে আমি ও রনজিত সাহা ১১৩টি করে ভোট পেয়ে সমপরিমান ভোট লাভ করি।’ এ অবস্থায় সকল পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীগনের নামের পাশে তাদের প্রাপ্ত ভোটের পরিমান উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার উক্ত নির্বাচনী ফলাফল সীটে স্বাক্ষর করে ফলাফল প্রকাশ করেন।
নির্বাচনী তফসিলের ১২ নং নিয়ম-নীতি অনুযায়ী ‘একই পদে একাধিক প্রার্থী সমপরিমান ভোট লাভ করলে লটারীর মাধ্যেমে ফলাফল ঘোষনা করার কথা উল্লেখ থাকলেও নির্বাচন কমিশনরার সেই নিয়ম/ শর্ত ভঙ্গ করে রনজিত সাহার সাথে যোগসাজোসের মাধ্যমে পূনরায় ভোট গননা করে নয়নের প্রাপ্ত ভোট দেখান ১১০টি ও রনজিত সাহার প্রাপ্ত ভোট দেখান ১১৫টি। অর্থাৎ সম পরিমান ভোটে মোট ২২৬টি ভোট পড়লেও গননার পর মোট ভোটের পরিমান দ্বারায় ২২৫টি। এ ছাড়া সভাপতি পদে পরাজিত প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন ভোট পূনঃগননার জন্য আবেদন করলেও নির্বাচন কমিশনার তা অগ্রাহ্য করেন।
নির্বাচন কমিশনার প্রভাবিত হয়ে কারচুপির মাধ্যমে এমন বিতর্কিত ও পক্ষপাত দুষ্ট নির্বাচনী ফলাফল ঘোষনা করেছেন অভিযোগ করে এর প্রতিবাদ, দোষীদের শাস্তিসহ পূনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠান অথবা নির্বাচনী তফসিলের ১২ নং নিয়ম-নীতি বাস্তবায়নের দাবী জানান নয়ন চন্দ্র মহন্ত।
এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে যোগাাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশানার এম এ করিম অভিযোগ অস্বীকার করেন।