পরে বিজয় চত্বর থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, ছাত্র শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি আসাদুজ্জামান কবির জুয়েলের সভাপতিত্বে বিজয় চত্বরে আলোচনা সভা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক, ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লাইছুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য ফেরদৌস পারভেজ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিয়ার রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয়ে রচিত হয়েছে ডিমলার প্রথম স্বাধীনতার ইতিহাস। দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম ও যুদ্ধের পর পাক-হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে ডিমলা থেকে পালিয়ে যায়। আর তখনই সমগ্র ডিমলার মানুষ আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়েন।