• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন |

ফুলবাড়ীতে ফেরিওয়ালার মরদেহ উদ্ধার

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে কালভার্টের উপর থেকে মেনহাজুল ইসলাম (৫০) নামের এক ফেরিওয়ালার মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
সোমবার (১১ মার্চ) উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী কোল্ড ষ্টোরেজ সংলগ্ন মৎসপাড়া গ্রামের ডারকি ডোবা কালভার্টের উপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ ।
নিহত মেনহাজুল ইসলাম ফুলবাড়ী পৌর এলাকার পশ্চিম গৌরপাড়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফেরিওয়ালা ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবার সূত্রে জানা যায়, মেনহাজুল প্রতিদিনের মতো রোববার (১০ মার্চ) দুপুরে খাওয়া শেষে ভাঙারী মালামাল সংগ্রহের জন্য ভাড়ায় চালিত চার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরেরদিন সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের ডারকি ডোবা কালভার্টের উপর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনরা তা দেখে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিচয় সনাক্ত করে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফুলবাড়ী সার্কেল) মো.ফরহাদ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল শেষে সকাল ১১টায় মেনহাজুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহত মেনহাজুলের স্ত্রী ফুলো বানু বলেন, তার স্বামী ভাড়ায় চালিত একটি চার্জার ভ্যান নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাঙারী সংগ্রহ করে পশ্চিম গৌরপাড়া এলাকার মকবুলের দোকানে বিক্রি করত। রোববার দুপুরে ভঙারী সংগ্রহ করতে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়, এরপর আর বাড়ী ফেরেনি। রাত গভীর হলে স্বামী বাড়ী না ফেরায়, তার স্ত্রী ফুলো বানু তাকে খুঁজতে থাকে। এরপর পরেরদিন সোমবার সকালে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মেনহাজুলের মরদেহর ছবি দেখে এলাকাবাসী তার স্ত্রী ফুলো বানুকে মরদেহের ছবি দেখালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করেন।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন,  সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পেশায় তিনি একজন ভাঙারী সংগ্রহকারী ছিলেন। নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। পুলিশ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ