• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেণ্টিমিটার ওপরে

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। রবিবার সন্ধ্যা ছয়টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোড সূত্র জানায়, রবিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৩ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ওই পয়েণ্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের উজানে জিরো পয়েণ্টে ডানতীর বাধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বাধ রক্ষায় বাঁশের পাইলিং ও বালির বস্তা ফেলা অব্যাহত আছে। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে বলে জানান জনপ্রতিনিধিরা। ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খাঁন জানান, রবিবার দুপুরের পর থেকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। পানি বৃদ্ধির ফলে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেরশ্বর ও পূর্ব ছাতনাই গ্রামের বোল্ডারের চর, খোকার চর, খাড়াপাড়া, ফ্লাটপাড়াসহ তিস্তা পারের বিভিন্ন চরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বাড়ি ঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে। টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরের পর থেকে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত গতিতে বাড়তে শুরু করে। পানি বৃদ্ধির ফলে এলাকার রোপা আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি ঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে’। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, রবিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি ৫১ দশমিক ৪৩ মিটার, সকাল ৯টায় ৫১ দশমিক ৪৮ মিটার, বেলা ১২টায় ৫২ দশমিক ০০ মিটার, বেলা ৩টায় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার এবং সন্ধ্যা ৬টায় ৫২ দশমিক দশমিক ২৮ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন,‘ ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে রবিবার সন্ধ্যা ছয়টায় ব্যরাজ পয়েণ্টে বিপৎসীমার ১৩ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিস্তা নদীর জিরো পয়েণ্টের কাছা কাছি কালীগঞ্জ নামক স্থানে তিস্তা ডানতীর প্রধান ভাধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেটি মেরামতে কাজ চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ