সিসি নিউজ ডেস্ক।। নওগাঁয় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের দুজনসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন, একটি মানিব্যাগসহ নগদ ৩৭ হাজার ৯৪৮ টাকা জব্দ করা হয়। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের নীলসাগর হোটেল এবং পোরশা রেস্টহাউসে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ছয় পরীক্ষার্থী হলেন জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার বামইন গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে মো. আবু সাইদ (৩১) ও চণ্ডীপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে সারোয়ার হোসেন (৩১), মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের ফারাজুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান (২৬) ও মালাহার গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ফারুক হোসেন (৩১), সাপাহার উপজেলার কওমি মাদ্রাসাপাড়ার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে আতাউর রহমান (৩০) এবং পোরশা উপজেলার দিঘা গ্রামের রাজ্জাক সরকারের মেয়ে রেহান জান্নাত (৩১)।
চক্রের দুই সদস্য হলেন পত্নীতলা উপজেলার শিবপুর গ্রামের সালেহ উদ্দীনের ছেলে মামুনুর রশিদ (৪১) ও মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দীনের ছেলে আহসান হাবিব (৪০)। এ ছাড়া আটক আরেকজন হলেন ফারাজুল ইসলাম (৪৮) অভিভাবক। তিনি জেলার মহাদেবপুর উপজেলার জিওলি গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
কুড়িগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ আটক ১১
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ প্রশ্নফাঁস চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দুপুরে আলাদা অভিযানে উপজেলা শহরের কাজী মার্কেটের পেছনের একটি বাসা এবং থানা এলাকা থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। তবে উদ্ধার হওয়া প্রশ্নপত্রের ফটোকপির সঙ্গে পরীক্ষায় ব্যবহৃত প্রশ্নপত্রের মিল রয়েছে কি না তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নাম মিনারুল ইসলাম। তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। বাকিদের পরিচয় শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। এঁদের মধ্যে প্রকৃত এবং ভুয়া পরীক্ষার্থী (প্রক্সি) রয়েছে।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘অভিযুক্ত ও আটক মিনারুল ইসলাম আমাদের কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি একই সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’
ঘটনার পর নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, ‘আটকদের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী রয়েছে। আটক সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’