• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডের এমন দৃশ্য আর কতদিন?

DSCN2316শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর : চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেড এলাকায় প্রতিনিয়ত দুরদূরান্ত থেকে আসা যুবক-যুবতীদের বেলাল্লাপনায় নষ্ট হচ্ছে সেখানকার পরিবেশ। জেলা সদরে দুটি শিশু পার্ক রয়েছে। একটি হলো শাহতলী এলাকার পাইভস্টার শিশু পার্ক, অপরটি মহামায়া এলাকার চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত কিতিকুঞ্জ শিশু পার্ক। দুটি শিশু পার্কই শিশুদের বিনোদনের জন্য গঠন করা হলেও এটি এখন আর শিশুদের জন্য ব্যবহার হচ্ছে না। প্রাপ্ত-অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, যুবক-যুবতীদের আনাগোনায় এটি ভিন্নভাবে ব্যবহার হচ্ছে।
গত ১১ জুলাই ফাইভস্টার পার্ক থেকে সকালে জেলা ডিবি পুলিশের একটি টিম ৬৪ যুবক-যুবতীকে অপ্রীতিকর অবস্থায় আটক করা করে। এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশের পর থেকে যুবক-যুবতী ও প্রবাসীর স্ত্রী এবং তরুণ তরুণীরা সেখানে আর ভয়ে যাচ্ছে না। সেই ধারাবাহীকতা রেখে যুবক-যুবতী ও প্রবাসীর স্ত্রী এবং তরুণ তরুণীরা এখন শহরের বড় স্টেশন মোলহেডে ভীড় জমাচ্ছে। সেখানে তারা বিভিন্ন ভাবে অপ্রীতিকর বেলাল্লা পনা অবস্থায় লিপ্ত হচ্ছে।
সেখানে আসা লোকজন জানান, পরকীয়া বাড়ছে, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি। আর পারিবারিক অশান্তিসহ দাম্পত্য কলহে পরকীয়ার বলি হওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ। পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায়, প্রায়ই নারী বা পুরুষ পরকীয়ার অদৃশ্য ফাঁদে আটকে আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে। আবার কখনো হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও থেমে নেই পরকীয়া। বড়স্টেশন মোলহেডে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এখানে একটু বিনোদনের জন্য ঘুরতে আসেন। কিন্তু এদানিং কিছু যুবক-যুবতীদের অপ্রীতিকর অবস্থার কারনে কোনো পরিবার তাদের সন্তান, আত্মীয় স্বজনের এখানে আনছেন না। প্রশাসন যদি এখানে কিছুদিন মনিটরিং করেন তাহলে আর এখানে যুবক-যুবতীকে অপ্রীতিকর কিছু ঘটবে না বলে সেখানে আসা লোকজনরা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ