• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

ইতিহাস সৃষ্টিকারী কিশোরীদের লোকাল বাসে!

702x336_32539খেলাধুলা ডেস্ক : বাংলাদেশের সোনালী প্রজন্মের কিশোরীরা ইতিহাস রচনা করে চীনা তাইপেকে হারিয়ে। ওই ম্যাচ ৪-২ গোলে জিতে এএফসি অনুর্ধ ১৬ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের মূলপর্বে খেলা নিশ্চিত করে লাল-সবুজের দেশ। আর গত সোমবার গ্রুপের শেষ ম্যাচটা আনুষ্ঠানিকতার হলেও জয় দিয়েই মিশন শেষ করেছে তারা।

বাছাইপর্বে ৫ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয় পেয়েছে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটদের দল। কৃষ্ণা, মগিনি, সানজিদা, মৌসুমীরা প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছে ২৬ বার। বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ দলকে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন দিচ্ছে ৫ লাখ টাকা। এছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বাংলাদেশ দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দেবে।

কিন্তু এই সংবর্ধনার আগেই ক্রীড়া পরিষদ আর বাফুফেকে সমালোচনার মুখে পড়তে হলো। বাংলাদেশের এই কিশোরী দলের  ৯ জনের বাড়িই  ভারত সীমান্তবর্তী ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কলসিন্দুরে। নানা দিক থেকে পিছিয়ে থাকা এই গ্রামের মেয়েশিশুরা তাক লাগিয়ে দিয়েছে ফুটবল খেলে। যার প্রমাণ পুরো বাংলাদেশ দেখলো। অথচ এই কিশোরীদের  হতে হলো অসম্মানিত, অপমানিত, হজম করতে হলো অশ্লীল গালিগালাজ। কার জন্য? এসবের স্বীকার বাংলাদেশের সোনালী মেয়েরা?

ঢাকা থেকে ধোবাউড়া গামী নিলয় পরিবহণ নামের একটি লোকাল বাসে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে ইতিহাস সৃষ্টিকারী সোনালী মেয়েদের বাড়ি ফিরতে হয়। বাসটি থেমে যাত্রী তুলছে রাস্তায়।  যাত্রা পথে বিভিন্ন স্থানে কটূক্তি আর অশ্লীল বাক্য শ্রবণ করতে হয় তাদের। কয়েকজন এসে প্রচ- খারাপ ভাষায় কথা বলে। কয়েজকজন পাশে দাঁড়ালেও তাদেরও শুনতে হয় বাজে কথা। কিন্তু এই লক্কর ঝক্কর বাসে কেন বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বলকারী মেয়েরা? তাদের সাথে বাফুফের কেউ নেই, নেই অভিভাবকরাও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ