• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

এ আবার কোন রোগ?

254166_1সিসি ডেস্ক: জেলার মহেশপুরে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩ বছর ধরে ভুগছে শিশু আজমীর হোসেন (৩)। ঝিনাইদহ, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেখিয়েও জানতে পারেনি এ রোগের নাম। সুস্থ্য হয়ে ওঠা তো আরও দূরে!

এদিকে মেয়ের চিকিৎসকের ফি আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে নিঃস্ব প্রায় দিনমজুর বাবা। শিশু আজমীর হোসেন মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের হাবিল হোসেনের ছেলে।

শিশুটির মা আরজিনা খাতুন ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডিকে জানান, জন্মের ৪ দিন পর থেকে আজমীর হোসেনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলে যায়। এর পর থেকে শরীরে ঘাঁ শুরু হয়।

‘সেই সময় প্রথমে তিনি ঝিনাইদহের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অলোক কুমার এর কাছে নিয়ে যান। তিনি তাকে ১০ দিন ভর্তি করে রাখেন। এর পর বলেন তার দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব না।’

এর পর নিয়ে যান যশোরের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম কিবরিয়ার কাছে। সেখানেও কোনো কাজ হয়নি। তার পর নিয়ে যান যশোরের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তৌহিদুর রহমানের কাছে। তিনিও চিকিৎসা দিয়ে তাকে সুস্থ্য করতে পারেননি বলে জানান মা আরজিনা।

তিনি আরও জানান, আজমীরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গোটা গোটা ঘাঁ রয়েছে। তার ৩ বছর বয়স অনুযায়ী সে বাড়ছে না। ডাক্তাররা ঠিক মতো বলতে পারছেননা আসলে সে কি রোগে আক্রান্ত।

বাবা হাবিল হোসেন জানান, পেশায় তিনি দিনমজুর। দিন আনা দিন খাওয়ার সংসারে আজমীরকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন। ডাক্তাররা শুধু ফি নেয় আর পরীক্ষা করান। কিন্তু রোগ ধরতে পারেন না। তিনি সরকারি-বেসরকারিভাবে সহযোগিতা কামনা করেন।

মহেশপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক নাসির উদ্দিন জানান, শিশুটিকে সম্প্রতি হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আসলে আমাদের এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার তেমন ব্যবস্থা নেই। আমি নিজেও বলতে পারছি না শিশুটি আসলে কি রোগে আক্রান্ত। তাকে যদি কোনো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয় তাহলে আসল রোগ ধরা পড়তে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ