সিসি ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে বিএনপি শেষ মুহুর্তে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতে পারে। শেষ মুহুর্তে নির্বাচন থেকে প্রার্থী সরানোর হ্যাট্রিকের ঘটনা দেখা যেতে পারে। নারায়নগঞ্জ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এমন আলোচনা উঠেছে। বিএনপির অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন আগের নির্বাচনের মতোই শেষ মূহূর্তে প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে।
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রথম নির্বাচনে মেয়র পদে অ্যাডভোটেট তৈমুর আলম খন্দকারকে সমর্থন দেয় আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বর্তমানে এমপি শামীম ওসমান। ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ছিলেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী। সিটি এলাকায় দলীয় ভোট আওয়ামী লীগ বিএনপি প্রায় সমান। নির্দলীয় ভোট, নারী শ্রমিকদের ভোট যারা বেশি টানতে পারে তারাই জয়ী হবে। এমনটি মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে মেয়র পদে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। শামীম ওসমানকে বিশাল ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন আইভী।
বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেয়া। জয়ী হওয়া। নির্বাচনের কয়েক ঘন্টা আগে এবং নির্বাচন চলাকালে সরে দাঁড়ানোর নজির রেখেছে বিএনপি।
ঢাকা দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী দিয়েছিল বিএনপি। প্রার্থী ভোট দেন সবাই। নির্বাচন তিনঘন্টা চলান পর তিন নির্বাচনই বর্জনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠ গরম করার চেষ্টা করছে বিএনপি। একটি রূপরেখাও পেশ করেছেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন বর্জন করে রাজনৈতিক কৌশল নিতে পারে বিএনপি এমনটি মনে করছেন কেউ কেউ। আস