শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর: বিতর্কিত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষা আইন ২০১৬ বাতিল, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন বন্ধে বিশ্ব জনমত গঠন ও সুপ্রীম কোর্টের সামনেু স্থাপিত গ্রীক দেবির মূর্তি অপসারনের দাবীতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদশে চাঁদপুর জেলা শাখার বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আন্দোলনের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যে জাতি নিজেরা তাদের অধিকার আদায়র করেত পারে না, তাদের অধিকার পকউ দিয়ে যায় না। ইসলাম কখনো মানুষ হত্যার কথা বলেনি, অন্যায়ভাবে কারো উপর আঘাত হানতে বলেনি। যে চোর অভাবের কারণে চুরি করে তার হাত নয়, যে স্বভাবে চুরি করতে তার হাত কেটে দিতে বলেছে। আজকে যে মন্ত্রী এমপিরা স্বভাবের চুরি করণে চুরি করেছে তাদের হাত কেটে দেয়া হলে আর তারা চুরি করতে পারবে না। ইসলাম নামের অর্থ হলো শান্তি।
তিনি আরো বাংলাদেশের এতো মুসলিম, মসজিদ, মাদ্রাসা থাকা স্বত্বেও হাইকোর্টের সামনে গ্রীক দেবীর মূতি স্থাপন করা হয়। আমরা অম্প্রদায়ীকতার বিরুদ্ধে নই, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের পক্ষে নই। আমরা যে হাত দিয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য পার্থনা করি, সে হাতে মূতির কাছে প্রার্থনা করতে হবে এটা মেনে নেয় হবে না। এই মূর্তি আমরা অপসারণ করবোই। এ বিষয়ে আমরা প্রধানন্ত্রীর বরাবর স্বাকলীপি দিছেছি। সরকারের কাছে দাবি জানাবো বিতর্কিত শিক্ষা আইন-শিক্ষানীতি বাতিল করেন। এদেশে যার ভিন্ন ধর্মের লোক রয়েছে তাদের জন্য আলাদা শিক্ষানীতি করুন, তাদের ধর্মীয় বইকে আরো সমৃদ্ধ করুন। কিন্তু আপনাদের কাছে অনুরোধ
ইসলামি আন্দোলন বাংলাদশে চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাও. নুরুল আমীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদশ যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এ টি এম হেমায়েত উদ্দিন, মাও. আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাও. মুকবুল হোসেন।
ইসলামি যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলা শাখা সভাপতি ইয়াসিন রাশেদ সানির ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদশে চাঁদপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাও. বেলাল হোসাইনের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদশে চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. জয়নাল আবেদীন, শিক্ষক ফোরাম চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি গাজী মো. হানিফ, সাবেক ছাত্র নেতা আলহাজ মাও. জুবায়ের আহমেদ, মাও. আফসার উদ্দিন, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।