খেলাধুলা ডেস্ক: প্রথম দিনটা ভালোভাবে পার করেছেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আক্রমণে এসেই মুশফিককে ফেরালেন লায়ন। ওজি স্পিনারের বলটা ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে মুশফিকের স্টাম্পে আঘাত হানে। শেষমেশ ৬৮ করেই সাজঘরে ফিরতে হয় টাইগার দলনেতাকে।
এর আগে দিনের প্রথম মুদ্রা লড়াইয়ে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে টিম বাংলাদেশ। শুরুটা হয়নি আশানুরূপ। ঢাকা টেস্টে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তামিম ইকবাল ফিরে যান সাতসকালেই। সেই চাপ কাটিয়ে উঠার আগেই ইমরুল কায়েসের বিদায়। দুই উইকেটই ঝুলিতে পুরেন নাথান লায়ন। চার নম্বরে ব্যাট করতে আসা মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কাটা মিটমাট করার চেষ্টা চালান সৌম্য সরকার। কিন্তু মধ্যাহ্ন ভোজনের ঠিক আগ মুহূর্তে সেই লায়নের ঘূর্ণিপাকে কাটা পড়েন সৌম্য। বিচ্ছেদ ঘটে সৌম্য-মুমিনুলের ৪৯ রানের জুটির।
বিরতির পর পরই ফিরে যান মুমিনুল হক। এরপর সুবিধা করতে পারেননি প্রথম টেস্টের নায়ক সাকিব আল হাসানও। লায়নের কুইকার ডেলিভারি মারতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সমন্বয় হয়নি সাকিবের। ব্যাটের কানায় ঘেঁষে বল ততক্ষণে ম্যাথু ওয়েডের গ্লাভসে। সাকিবের বিদায়ে খানিকটা বিপাকে পড়ে টিম বাংলাদেশ।
টাইগারদের স্কোর তখন ৫ উইকেটে ১১৭। এমন নাজুক অবস্থায় যখন গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা উঁকি দেয় বাংলাদেশ শিবিরে, ঠিক তখনই ত্রাতার ভূমিকায় আগমন ঘটে সাব্বির রহমান আর মুশফিকুর রহিমের। তিল তিল করে ১০৫ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান এই মানিকজোড়।
শেষ বিকেলে আবারও ফণা তোলেন নাথান লায়ন। সামনের পায়ে ভর করে লায়নকে পুল শট খেলতে গিয়ে মনের অজান্তেই ক্রিজে পড়ে যান সাব্বির। সেই ফাঁকে স্টাম্প স্পর্শ করে ম্যাথু ওয়েডের হাত। অবশ্য নিজে তাল হারানোর আগে বাংলাদেশ দলের তাল ঠিক করে গেছেন ৬৬ রান করা সাব্বির। টেস্টকে ওয়ানডে বানিয়ে লড়াকু ব্যাটিংই করেছেন বাংলাদেশ দলের সুপারম্যান খ্যাত সাব্বির। প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২৫৩ রান।