• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

ফুলবাড়ীতে স্বপ্ন প্রকল্পের কর্মী বাছাইয়ে ব্যাপক অনিয়ম

জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় মহিলা উপকার ভোগী যাচাই-বাছাইয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকার ইউপি সদস্য ও সাধারণ মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় দারিদ্র্যের হার হ্রাস করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে রাস্তায় মাটি কাটার জন্য স্বামী পরিত্যক্তা, তালাক প্রাপ্ত ও বিধবা মহিলাদের বিভিন্ন শর্তাবালী দিয়ে লটারীর মাধ্যমে ওয়ার্ড প্রতি ৪জন করে মহিলা উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়। উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে মহিলা উপকার ভোগীদের টাকার বিনিময়ে ও প্রকল্পের শর্ত না মেনে মহিলা নির্বাচন করায় ইউপি সদস্যসহ সাধারণ জনগনের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে,বড়ভিটা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের রশিদা বেগম জানান, আমার নাম প্রথম দিনে লটারীতে ওঠার পর আমার ছবি তোলা হয়। উজির মেম্বার আমার নাম টেকার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবী করে, পরে ধার দেনা করে টাকা ও ভোটার আইডি কার্ড উজির মেম্বারের কাছে জমা দেই। কিন্তু আমার নাম না দিয়ে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে নুরুর স্ত্রী সামিনা বেগমেকে নিবার্চন করা হয়। এছাড়াও ওই ইউনিয়নের অন্যান্য ওয়ার্ড গুলোতে ৪জন করে মহিলা উপকার ভোগী বাছাইয়ের শর্ত না মেনে যাদের স্বামী আছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদেরকেই নির্বাচন করা হয়েছে । এ ছাড়াও উপজেলার অন্য ইউনিয়নগুলোতেও টাকার বিনিময়ে উপকারভোগী নির্বাচন হয়েছে বলে জানাগেছে।

নওদাবশ ৯ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান দুলু বলেন, আমাদেরকে ও প্রকল্পের সভাপতিকে না জানিয়ে চুড়ান্ত লটারী করে প্রতি ওয়ার্ডে ৪জন করে উপকার মহিলা উপকারভোগী বাছাই করা হয়েছে। এর যোগসাজসের মধ্যে বড়ভিটা ইউনিয়নের মাঠকর্মী গোপেশ চন্দ্র জড়িত রয়েছে এবং গত বছরেও ব্যাপক দুর্নীতি করেছে।

বড়ভিটা ইউনিয়নের ফিল্ড ফেসিলেটেটর গোপেশ জনান, আমরা অফিসের শর্ত মেনে নাম নির্বাচন করেছি। ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য উজির ব্যাপারী জানান, আমি তার কাছে কোন টাকা পয়সা নেইনি।

এ ব্যাপারে বড়ভিটা ইউপি চেয়ারম্যান খয়বর আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, সকলের উপস্থিতিতে লটারীর মাধ্যমে উপকারভোগী করা হয়েছে টাকা পয়সা লেনদেনের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।

এব্যাপারে স্বপ্ন প্রকল্পের উপজেলা প্রজেক্ট অফিসার তোফাজ্জল হোসেন জানান,অনিয়মের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। যদি কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত করে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ