• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

১১ বছর পর ফাইনালে লিভারপুল

খেলাধুলা ডেস্ক, ০৩ মে: ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ৫-২ গোলে জিতেছিল লিভারপুল। তাই রোমার মাঠে ৪-২ গোলে হেরেও ফাইনালে উঠেছে তারা ৭-৬ অগ্রগামিতায়। যাতে ২০০৭ সালের পর আবারও ইউরোপের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল মঞ্চে অলরেডস। সমান্তরালে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেও সেমিফাইনালে আটকে গেল রোমা।

এবার আর গোল পাননি মোহাম্মদ সালাহ। রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে তার প্রত্যাবর্তনটা গোল নিয়ে না হলেও কাজের কাজটা তিনি আগেই করে রেখেছিলেন অ্যানফিল্ডের প্রথম লেগে। তবে প্রথম লেগের মতো রোমেরও লক্ষ্যভেদ করেছেন সাদিও মানে। তার গোলেই এগিয়ে যায় লিভারপুর। এরপর জেমস মিলনারের আত্মঘাতী গোলে রোমা সমতায় ফিরলেও সফরকারীদের আবার লিড এনে দেন জর্জিনো উইনালডাম। ওই গোলটাও শোধ করে দেয় ইতালিয়ান ক্লাবটি এডিন জেকো জাল খুঁজে পেলে। এরপর রাডিয়া নাইনগোলানের জোড়া গোলে ৪-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতলেও লিভারপুলের ফাইনালে ওঠার পথে কোনও সমস্যা হয়নি।

বার্সেলোনার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর স্মৃতি ছিল অনুপ্রেরণা। রোমা স্বপ্ন দেখছিল আরেকটি রূপকথার। তবে ম্যাচের শুরুতেই সেই স্বপ্নে বড় ধাক্কা খায় ইতালিয়ান ক্লাবটি। রোমের সমর্থকদের স্তব্দ করে নবম মিনিটে লিভারপুলকে এগিয়ে নেন সাদিও মানে। রোমা মিডফিল্ডার রাডিয়া নাইগোলানের ভুল পাসে পাওয়া বল রবের্তো ফিরমিনো বাড়ান বাঁ প্রান্তে থাকা মানের কাছে। ফাঁকা রক্ষণের সুযোগ নিয়ে বাঁ পায়ের চমৎকার শটে বল জালে জড়িয়ে দেন সেনেগাল ফরোয়ার্ড।

.সমতায় ফিরতে অবশ্য সময় নেয়নি রোমা। ১৫ মিনিটেই স্কোরলাইন ১-১ করে স্বাগতিকরা। তবে লিভারপুল গোলটি ‘উপহার’ই দিয়েছে তাদের। রোমা সমতায় ফেরে জেমস মিলনারের আত্মঘাতী গোলে। এল শারাউয়ির হেড ‘ক্লিয়ার’ করতে জোরালো শট করেছিলেন ইংলিশ ক্লাবটির ডিফেন্ডার লভরেন। কিন্তু তার শট সতীর্থ মিলনারের মাথায় লেগে জড়িয়ে যায় জালে।

২৫তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল লিভারপুল। কিন্তু মানের পাস রোমার এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় পোস্ট ঘেঁষে। তবে তা থেকে পাওয়া কর্নারে ফুটবলদেবতা তাদের দুই হাত ভরে দিয়েছেন। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে এডিন জেকো হেড করলে চলে আসে পোস্টের দিকে, ফাঁকায় থাকা জর্জিনো উইনালডাম হেডে লক্ষ্যভেদ করে লিভারপুলকে এগিয়ে নেন ২-১ ব্যবধানে। এই স্কোরেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতি থেকে ঘুরে এসে আরও আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করে রোমা। ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। ৫১তম মিনিটে ইতালিয়ান ক্লাবটিকে সমতায় ফেরান জেকো। এল শারাউয়িই চমৎকার শট ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেছিলেন লিভারপুল গোলরক্ষক, তবে তার ‘ফিস্ট’ করা বল বক্সের ভেতর পেয়ে যান জেকো, বাতাসে ভাসানো শটে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা স্ট্রাইকার বল জড়িয়ে দেন জালে।

এরপর অন্তত আরও তিন থেকে চারটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট হয়েছে স্বাগতিকদের। কখনও জেকো হতাশ হয়েছেন, কখনও এল শারাউয়ির মাথায় উঠেছে হাত। অবশেষে রোমা গোলের দেখা পায় ৮৬ মিনিটে। বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন নাইনগোলান। ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে এই মিডফিল্ডার আবার করেন লক্ষ্যভেদ।

তবে বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছিল রোমার। ম্যাচটি ৪-২ গোলে জিতলেও লিভারপুলের ফাইনাল যাত্রা থামাতে পারেনি তারা। হেরেও ৭-৬ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালে ওঠার উৎসবে মাতে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ