• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

বিশ্বকাপের ৬ রান নিয়ে মুখ খুললেন ধর্মসেনা

খেলাধুলা ডেস্ক ।। বিশ্বকাপ ফাইনালে ওভার থ্রো থেকে ইংল্যান্ডের পাওয়া ৬ রান নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। সেই ঘটনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন স্বয়ং আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। শ্রীলঙ্কান এই আম্পায়ার নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষেই কথা বলেছেন। তার মতে, ওটা ছিল ‘বিচারিক ভুল’। নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনাও নেই তার।

গত ১৪ জুলাই লর্ডসের ফাইনালে শেষ ওভারে দ্বিতীয় রান নেওয়ার প্রচেষ্টায় নিজেকে বাঁচাতে ডাইভ দিয়েছিলেন বেন স্টোকস, মার্টিন গাপটিলের থ্রো তার ব্যাটে লেগে বল পেরিয়ে যায় সীমানা। দৌড়ে ২ আর ওভার থ্রো থেকে ৪ মিলিয়ে ইংল্যান্ডকে ৬ রান দেন আম্পায়ার ধর্মসেনা।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচ যায় সুপার ওভারে। এরপর সুপার ওভারও টাই হলে বাউন্ডারির সংখ্যায় নিউজিল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে থেকে শিরোপা জেতে ইংল্যান্ড। পরে আইসিসির প্রাক্তন আম্পায়ার সাইমন টফেল বলেন, ধর্মসেনার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল, তার উচিত ছিল ৫ রান দেওয়া। সেক্ষেত্রে মূল ম্যাচেই জিতে যেত নিউজিল্যান্ড।

নিয়ম অনুযায়ী, ওভার থ্রো থেকে বাউন্ডারি এলে সেই চার রানের সঙ্গে দৌড়ে নেওয়া তত রানই যোগ হবে, ফিল্ডার বল ছাড়ার আগে যতবার দুই ব্যাটসম্যান রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে পরস্পরকে অতিক্রম করতে পারবেন। ওই ঘটনার টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, গাপটিল বল থ্রো করার সময় স্টোকস ও আদিল রশিদ দ্বিতীয় রানের জন্য নিজেদের অতিক্রম করেননি।ওই ঘটনা নিয়ে সানডে টাইমসকে ধর্মসেনা বলেছেন, ‘টিভি রিপ্লে দেখে মানুষের জন্য মন্তব্য করাটা সহজ। টিভি রিপ্লে দেখার পর আমি একমত যে, ওটা ছিল আমার বিচারিক ভুল। কিন্তু মাঠে আমাদের জন্য টিভি রিপ্লের বিলাসিতা ছিল না। আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটা নিয়ে আমি কখনোই অনুতপ্ত হব না। আমার সিদ্ধান্তের জন্য আইসিসি তখন আমার প্রশংসা করেছে।’ধর্মসেনা সিদ্ধান্তের জন্য থার্ড আম্পায়ারের শরণাপন্ন হতে পারতেন কি না, এমন আলোচনাও হয়েছে অনেক। তবে ধর্মসেনা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে থার্ড আম্পায়ারের কাছে যাওয়ার কোনো বিধান আইনে নেই, ‘কোনো ডিসমিসালের ব্যাপার জড়িত না থাকলে থার্ড আম্পায়ারকে দেওয়ার কোনো বিধান আইনে নেই।’‘সুতরাং, আমি যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে লেগ আম্পায়ারের সঙ্গে পরামর্শ করি, যা অন্যান্য আম্পায়ার এবং ম্যাচ রেফারিও শুনেছেন। এবং তারা টিভি রিপ্লে দেখতে পারছিলেন না, তারা সবাই নিশ্চিত ছিলেন যে ব্যাটসম্যানরা রান সম্পন্ন করেছে। তখন আমি আমার সিদ্ধান্ত নিই’- যোগ করেন ধর্মসেনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ