• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

মেয়েকে ধর্ষণের বিচার না পেয়ে বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলা

সিসি নিউজ ডেস্ক।। পঞ্চগড়ে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের বিচার না পেয়ে বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনায় দুটি মামলা হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে ওই কলেজছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

মামলার আসামিরা হলেন–পলাশ চন্দ্র বর্মণ, শ্যামল চন্দ্র বর্মণ, কাজল বর্মণ ও ভবেন বর্মণ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই কলেজছাত্রী তার চাচাতো ভাইয়ের বাসা থেকে নিজ বাসায় ফিরছিল। পথে পলাশ ও তাঁর বন্ধু কাজল মিলে পথরোধ করে তাকে টেনে হিঁচড়ে একটি সুপারি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র রায়কে জানালে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বিষয়টি সুরাহা করে দেবেন। কিন্তু এক সপ্তাহেও চেয়ারম্যান কোনো উদ্যোগ না নিলে গত ২৪ জানুয়ারি ওই ছাত্রীর পরিবার চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ পেয়ে চেয়ারম্যান ১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে সালিসে বসার সময় দেন। সেদিন সালিসে বিবাদীপক্ষ কেউ উপস্থিত হয়নি। পরে ধর্ষণের বিচার না পেয়ে ওই কলেজছাত্রীর বাবা বাড়ির পাশের একটি গাছে গলায় চাদর পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

মামলার বাদী বলেন, ‘প্রতিবেশী ও আসামিদের নানা কটূক্তি, ব্যঙ্গবিদ্রুপ, তিরস্কার মূলক কথাবার্তা এবং হুমকিতে লজ্জায় আমার বাবা আত্মহত্যা করেন।’

মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র রায় বলেন, ‘তারা আমাকে অভিযোগ দিলে আমি ১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদে তাদের উভয় পক্ষকে বসার জন্য বলি। কিন্তু সেদিন তাদের কেউই আসেনি। এখানে আমার কোনো গাফিলতি ছিল না।’

পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও তদারক করছি। আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ