• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন |

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় যুবকের ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

সিসি নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৪৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ মামলার রায় দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আনিছ আহম্মেদ নীল (৩৫) পলাতক রয়েছেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার হযরতপুর গ্রামে। ঘটনার শিকার ছাত্রী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে দুটি ধারায় আসামিকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে আরও দেড় বছর কারাভোগ করতে হবে। ট্রাইব্যুনাল রায়ে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দিতে ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন।

ওই ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মো. এরশাদ আলম জর্জ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ট্রাইব্যুনাল রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামির গ্রেপ্তার হওয়ার বা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর এই সাজা কার্যকর হবে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পরিবারের সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরে বসবাসকারী ওই ছাত্রীর (১৫) সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলের। পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি স্কুলছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর স্কুলছাত্রী কোচিং সেন্টারের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর আনিছ ও তাঁর অজ্ঞাতনামা তিন-চারজন সঙ্গী অপহরণ করেন।

এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা কামরাঙ্গীরচর থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পরে পুলিশ ওই ছাত্রীকে দিনাজপুর শহরের কলেজ রোড থেকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেপ্তার করে। মামলা তদন্তকালে ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ধর্ষণ ও অপহরণের দুটি ধারায় আসামি আনিছের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এ মামলার বিচার চলাকালে ৩৯ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ