• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

শহীদদের সংখ্যা নিয়ে খালেদার মন্তব্যের সমর্থন জাফরুল্লাহর

জাফরঢাকা : মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মন্তব্যের সমর্থন জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে শহীদদের সংখ্যা নিরুপণে উদ্যোগ নিতেন বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের হলরুমে ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের কারাবন্দিত্বের এক হাজার দিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গত ২১ ডিসেম্বর এক আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে কত লোক শহীদ হয়েছেন, এটি নিয়ে বিতর্ক আছে। নানা বই-কিতাবে নানারকম তথ্য আছে।’

তার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের ঝড় ওঠে। খালেদা জিয়ার নামে নড়াইলে মামলাও হয়। বক্তব্য প্রত্যাহার করে খালেদাকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তার বাসাও ঘেরাও করতে যায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

আলোচনা সভায় জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মুজিব ভাইয়ের (বঙ্গবন্ধু) বড় গুণ ছিল মহানুভবতা। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা মারা গেছেন, তাদের সঠিক তথ্যটা উপস্থাপন করা। উনি ১৩ তারিখ দায়িত্বভার নেওয়ার পরে ড. সাত্তারকে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে কতজন মারা গেছেন, মুক্তিযুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা নিরূপণের জন্য কমিটি করেছিলেন। এখনও ড. সাত্তারের জুনিয়র আসাফুদ্দৌলা সাহেব জীবিত। উনি তো কমিটিতে ছিলেন, জানেন সেই কমিটিতে কী হয়েছে। উনার এটা দায়িত্ব জানানোর।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আরেকটা দ্বিতীয় মহান কাজ করেছিলেন, উনি তৎকালীন আইজি আবদুর রহীম সাহেবের নেতৃত্বে একটা ১০ জনের কমিটি করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে হতাহতের সংখ্যাটা নিরূপণের জন্য। এসব কথা (ইতিহাস) আমরা ভুলে গিয়েছিলাম।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগকেই সামনে এনেছেন। সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে উনি শেখ মুজিবকেই উচ্চকিত করেছেন, এজন্য আপনাকে (খালেদা জিয়া) ধন্যবাদ।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক শফিক রেহমান, কলামিস্ট ফরহাদ মজহার, বিএনপির নেতা অ্যাাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, পেশাজীবী নেতা আ ন হ আখতার হোসেন, রহুল আমিন গাজী, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, এম এ আজিজ, এম আবদুল্লাহ, ড. মামুন রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি আবদুল হাই শিকদার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ