
খেলাধুলা ডেস্ক: সুপার টেনের অপ্রতিরোধ্য নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আয়েশী জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড। কিউইদের স্বপ্ন ভেঙে ৭ উইকেটে জয় তুলে নেয় ইংলিশরা।
টস হেরে প্রথম ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৫৩ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ১৭ বল হাতে রেখে মাত্র ৩ উইকেট খরচায় জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড। মাত্র ৪৪ বলে ৭৮ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে ইংলিশদের জয়ের নায়ক জেসন রয়।
সেমিফাইনালের আক্ষেপ যেনো পিছু ছাড়ছে না কিউইদের। ২০০৭’র পর এবারও সেমিফাইনাল খেলে বিদায় নিতে হলো কেন উইলিয়ামসনের দলের। অন্যদিকে ২০১২ সালের পর এবারও সেমিফাইনাল খেলে ফাইনালে পৌঁছালো ইংল্যান্ড।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে, শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি কিউইদের। স্কোর বোর্ডে ১৭ রান যোগ হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মার্টিন গাপটিল। তৃতীয় ওভারের শুরুতেই গাপটিলকে ফিরিয়ে ইংলিশদের প্রথম সাফল্য এনে দেন ডেভিড ওয়ালি। বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গাপটিল। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন কলিন মুনরো।
মুনরো-উইলিয়ামসন জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। তাদের জুটিতে থেকে যোগ হয় ৭৬ রান। এরপরই ফিরে যান উইলিয়ামসন। মঈন আলীর শিকার হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান।
উইলিয়ামসনের ১৬ রান পরই অর্ধশত থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে ফেরেন কলিন মুনরো। লিয়াম প্লাঁকেটের বলে তিনি মঈন আলীর হাতে ক্যাচ দেন।
১৭তম ওভারে রস টেলরকে ফিরিয়ে কিউইদের রানের চাকা টেনে ধরেন ক্রিস জর্ডান। অফ সাইডে তিনি মরগানের হাতে ক্যাচ দেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১৩৪। শেষ দিকে আর কোন ব্যাটসম্যানের ব্যাট না হাসলে নির্ধারীত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানে থামে কিউইদের ইনিংস। ইংলিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পান বেন স্টোকস।
কিউইদের ১৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত ছিলো ইংলিশদের। জেসন রয় এবং অ্যালেক্স হেলসের ওপেনিং জুটি থেকেই তারা তুলে নেন ৮২ রান।
এরপর ১৯ বলে ২০ রান করে হেলস ফিরে গেলেও অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা রয় ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে আউট হন জেসন রয়
এছাড়া জো রুট ২২ বলে ২৭ ও জশ বাটলার ১৭ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। বিখ্যাত ইডেনের ফাইনালে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সেমিফাইনাল জয়ী ভারত অথবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের।