• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন |

ওমানকে হারিয়ে সুপার টেনে টাইগাররা

during the ICC World Twenty20 India 2016 match between Bangladesh and Oman at the HPCA Stadium on March 13, 2016 in Dharamsala, India.

during the ICC World Twenty20 India 2016 match between Bangladesh and Oman at the HPCA Stadium on March 13, 2016 in Dharamsala, India.

খেলাধুলা ডেস্ক: তামিম তাণ্ডবে ওমানের সামনে ১৮০ রানের বিশাল চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার পরই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশই উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টেনে।

তবুও আনুষ্ঠানিকভাবে তো বাংলাদেশের নাম সুপার টেনে লিখে দেওয়া যাচ্ছিল না। ওমান ২০ ওভার না খেলা পর্যন্ত।

যদিও আরব দেশটি ব্যাট করতে নামার পর বার কয়েক বৃষ্টি হানা দেয়। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের জয় এলো ৫৪ রানে। ডি/এল মেথডেই নির্ধারিত হলো জয়ের ব্যবধান।

প্রথম দফা বৃষ্টির আগে ৭ ওভারে ৪১ রান করেছিল ওমান। বৃষ্টি থামলে ১৬ ওভারে ১৫২ রান নির্ধারণ করা হয় ওমানের জন্য; কিন্তু দ্বিতীয় দফা ব্যাট করতে নেমে ১.২ ওভার খেলার পর আবারো নামে বৃষ্টি।

এবার প্রায় ১০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। এরপর আবারো খেলা শুরু হয়। এবার নির্ধারণ করা হলো ১২ ওভারে ওমানকে করতে হবে ১২০ রান।

অনেক বড় লক্ষ্য, চেষ্টা করতে তো দোষ নেই। এ কারণে ওমানের ব্যাটসম্যানরা চোক-কান বন্ধ করেই যেন ব্যাট চালানো শুরু করে দিয়েছিল।

ফলে সাকিবের স্পিন ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৬৫ রানে গিয়ে থামে ওমানের ইনিংস। সাকিব আল হাসান ১৫ রান দিয়ে একাই ৪ উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফি, তাসকিন এবং আল আমিন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর ভর করে ১৮০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জণ করলেন তিনি।

শুধু তাই নয়, তামিমই প্রথম এবং একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি তিন ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তামিম অপরাজিত থাকলেন ৬৩ বলে ১০৩ রানে। ১০টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৫টি ছক্কার মারও মারেন তিনি।

তামিমের সঙ্গে যোগ্য সঙ্গী হিসেবে ছিলেন সাব্বির রহমান। ২৬ বলে তিনি করেন ৪৪ রান। ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে মারেন ১টি ছক্কা। সাকিব ৯ বলে করেন ১৭ রান। সৌম্য করেন ১২ রান।

বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ১৮১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নামে ওমান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদ ফিরিয়ে দেন জিসান মাকসুদকে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের তালুবন্দি হন ওমানের ওপেনার। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে আল আমিন ফেরান ৮ রান করা খাওয়ার আলিকে। রান আউট হয়ে ফেরেন ১৩ বলে ১৩ রান করা আদনান ইলিয়াস।

ওমান ইনিংসের ৭ ওভার শেষে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির পর আবারো মাঠে গড়ায় খেলা। নতুন টার্গেটে ব্যাট করতে নামে ওমান। তাদের নতুন টার্গেট দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৫২ রান।

ইনিংসের নবম ওভারে সাকিবের বলে মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হয়ে ফেরেন আমির কলিম। একই ওভারে স্ট্যাম্পিং হন আমির আলি।

দ্বিতীয়বার বৃষ্টির পর ওমানের টার্গেট দাঁড়ায় ১২ ওভারে ১২০ রান। দশম ওভারে মাশরাফি ফিরিয়ে দেন ২৫ রান করা জাতিন্দির সিংকে। আবারো বোলিংয়ে এসে সাকিব নিজের তৃতীয় উইকেটটি তুলে নেন। মেহরান খান সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। একই ওভারে নতুন ব্যাটসম্যান হয়ে আসা সুলতান আহমেদকেও ফেরান সাকিব। শেষ ওভারে সাব্বির নেন লালচেতার উইকেটটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ