নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে আমজাদ হোসেন (৪৫) নামের আরো এক জেএমবি সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
রোববার ভোর রাতে জেলার জলঢাকা পৌরসভা শহরের ডাঙ্গাপাড়া মহল্লায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয় । সে ঐ মহল্লার আফতাব উদ্দিনের ছেলে।
গত ৩০ এপ্রিল থেকে এপর্যন্ত মোট ১৪ জন জেএবি সদস্যকে আটক করা হলো জানান নীলফামারী গোয়েন্দা পুলিশের ওসি বাবুল আকতার।
তিনি জানান, নীলফামারী জেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, আইনজীবী, বিচারক ও বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনায় আটককৃকত জেএমবি সদস্যদের স্বীকারোক্তিতে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আটককৃত আমজাদ ২০০৬ সালের সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার মামলায় ৭ বছর ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছে।
সারাদেশে গুপ্ত হত্যার প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন
সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে হত্যাসহ গুপ্ত হত্যার প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন।
রোববার দুপুরে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যৌথভাবে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এসময় তাদের মানববন্ধনে একাত্ব প্রকাশ করে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ ও জেলা সিপিবি, জেলা ওয়ার্কাসপাটি ও জেলা সাম্যবাদী দল।
ঘন্টাব্যাপী মাববন্ধন চলাকালে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট অক্ষয় কুমার রায়ের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বাবু খোকা রাম রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৃণাল কান্তি রায়, উত্তম কুমার রায়, নীলফামারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গৌরাঙ্গ রায়, অধ্যাপক নরেশ চন্দ্র রায়, পরিতোষ কুমার রায়, জেলা সিপিবির সভাপতি শ্রীদাম দাস, জেলা সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ প্রমুখ।
বক্তরা দ্রুত সারাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ গুপ্ত হত্যা পরিচালনা কারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানান।