আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উরি হামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক লড়াইয়ে ভারতের চরম পরাজয় ঘটেছে, যা স্পষ্ট হয়েছে শুক্রবার। গত রোববার উরিতে হামলার পরদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। একই দিন আফগানিস্তান সরকারের কাছ থেকেও ভারতের পক্ষে বিবৃতি আসে।
কিন্তু আঞ্চলিক রাজনীতির খেলায় ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ে ‘পাশে থাকা’র ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের মতো দেশের গুরুত্ব খুবই নগন্য। এক্ষেত্রে যে পক্ষ আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক সুপার পাওয়ারদের তাদের দিকে টানতে পারলো তারাই এগিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পাকিস্তান ভারতের চেয়ে উরি ইস্যুতে যোজন যোজন এগিয়ে গেছে।
ভারতের পাশে বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান দাঁড়ানোর দুই দিন পরেই পাকিস্তানের পাশে সরাসরি ঘোষণা দিয়ে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পরাশক্তি চীন। এতেই ভারতের সামরিক অভিযানের হম্বিতম্বির সুর নরম হতে থাকে।
এরপর সর্বশেষ শুক্রবার বিশ্বশক্তি রাশিয়াও বলতে গেলে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ালো। দিল্লীর পক্ষ থেকে গত কয়েকদিনে জোর লবিং চলেছে যাতে ইতিহাসে প্রথম বারের মতো এ মাসে অনুষ্ঠিতব্য পাক-রুশ যৌথ সামরিক মহড়াটি বাতিল করে মস্কো। কিন্তু শুক্রবার ক্রেমলিন সাফ জানিয়ে দেয় যে, দিল্লীর এই আবদার পূরণ তাদের পক্ষে সম্ভব না। এবং শুক্রবারই ইসলামাবাদে এসে পৌঁছায় রুশ বাহিনীর বিশেষ টিম।
দিল্লীর অনুরোধ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর পাকিস্তান-ভারতের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সরাসরি সমর্থনের অবস্থা দাঁড়িয়েছে এরকম- ভারতের পাশে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান, পাকিস্তানের পাশে চীন-রাশিয়া!