• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :

ডোমারে মা ও ছেলেকে পেটানোর অভিযোগে মামলা

ডোমার (নীলফামারী ) প্রতিনিধি:  শ্লীলতাহানীর অভিযোগ তুলে সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের পেটান ইউপি চেয়ারম্যান। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা বামুনিয়া ইউনিয়নের বারবিশা গ্রামের ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলীর বাড়ীতে। এলাকাবাসীর অভিযোগ আপোষ মিমাংসার নামে বামুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদুজ্জামান বুলেট নিজে লাঞ্চিত করেন। এতে পরিবারের ২জন সদস্য গত শুক্রবার বিকালে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় আজ সোমবার পহেলা মে ভোর রাতে ডোমার থানায় অনিল চন্দ্র রায়ের পুত্র অমুল্য চন্দ্র রায় বাদী হয়ে ১১ জনের নামে মামলা করেন। মামলা নং ০১। আজ সোমবার সকালেই ডোমার থানার পুলিশ ওই এলাকা থেকে ৪ নং আসামী জাহেরুল ইসলামের পুত্র সেলিম হোসেন (২৫) কে গ্রেফতার করে ।
এলাকাবাসী ও মামলা সুত্রে জানা যায়, গত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে বামুনিয়া ইউনিয়নের বারবিশা গ্রামের বাবুপাড়ার অনিল চন্দ্র রায়ের পুত্র ছত্রধর চন্দ্র রায় (৩৮) সকাল আটটায় তার পুরাতন বাড়ী হতে নতুন বাড়ীতে বাইসাইকেল দিয়ে যাওয়ার সময়ে বাইসাইকেলের পেডেল একই এলাকার রুহুল আমীনের স্ত্রী শেফালী বেগমের (৪০)  গায়ে লাগলে তার সংগে ঝগড়া হয় । এ বিষয়কে কেন্দ্র করে আসামীরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদুজ্জামান (বুলেট) এবং ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী সরকারকে বিচার জানালে তারা গত ২৮ শে এপ্রিল সকালে সালিশ বৈঠকের সময় নিধারন করে । সালিশের দিন ছত্রধর, অশ্বনী, লিটন, পিতা অনিল চন্দ্র রায়, মা মনোবালা এবং বাদীর ছেলে লিপনসহ উপস্থিত হন । চেয়ারম্যান  ও ইউপি সদস্য উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এক পর্যায়ে বিচার চলার সময় ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন কালীন সময়ের জের ধরে ছত্রধরকে পেটায়। এ সময় চেয়ারম্যান  ও ইউপি সদস্যকে অগ্রাহ্য করে চেয়ারম্যানের লোকজন ছত্রধর ও তার মা মনোবলা (৫৫)কে পিটিয়ে আহত করেন। তার মা মনোবলার (৫৫) গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। তারা ভবিষ্যতে টাকা নেওয়ার ও মিথ্যা মামলা করার জন্য জখম করার ভয় দেখে অলিখিত ফাঁকা ষ্টামে  ছত্রধর ও অশ্বনীদ্বয়ের স্বাক্ষর নেয় ।
এতে আহত হয়ে ছত্রধর ও মা মনোবালা ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎধীন রয়েছে ।
এ ঘটনায় আজ সোমবার পহেলা মে ভোর রাতে ডোমার থানায় অনিল চন্দ্র রায়ের পুত্র অমুল্য চন্দ্র রায় বাদী হয়ে ১১ জনের নামে মামলা করেন । এ ঘটনায় সকালেই ডোমার থানার পুলিশ ওই এলাকা থেকে ৪ নং আসামী জাহেরুল ইসলামের পুত্র  সেলিম হোসেন (২৫) কে গ্রেফতার করে ।
এ ব্যাপারে ডোমার থানার ওসি মোকছেদ আলী জানান, একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে । অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ