সিসি নিউজ: দক্ষিণ আফ্রিকার করা প্রথম ইনিংসের ৫৭৩ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
আজ ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সব থেকে বড় কথা হলো বাংলাদেশের ৭ ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরেই যেতে পারেনি। তবে লিটন দাসের ৭০ রানে নির্ভর করে অন্তত শত রান পার করে টাইগাররা। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে কায়েসের ব্যাট থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়ে একাই ৫টি উইকেট নেন ক্যাসিগো রাবাদা। আর ৩টি উইকেট নেন ওলিবার।
দ্বিতীয় দিন ইনিংস ঘোষণার আগে প্রোটিয়ারা ১২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৭৩ রান। বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে নামেন ইমরুল কায়েস এবং সৌম্য সরকার। দলীয় ১৩ রানের মাথায় বিদায় নেন সৌম্য সরকার। ব্যক্তিগত ৯ রান করে কেগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর দলীয় ২৬ রানের মাথায় অলিভিয়েরের বলে ডি ককের তালুবন্দি হন ৪ রান করা মুমিনুল। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় অলিভিয়েরের দ্বিতীয় শিকারে সাজঘরে ফেরেন ৭ রান করা মুশফিক। দলীয় ৪৯ রানের মাথায় বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। নতুন বোলার হিসেবে আক্রমণে এসেই ওয়েইন পারনেল ফিরিয়ে দেন ৪ রান করা মাহমুদুল্লাহকে। শেষ সেশনের শুরুর ওভারেই বিদায় নেন ২৬ রান করা ইমরুল। রাবাদার বলে ডি ককের গ্লাভসবন্দি হন তিনি। দলীয় ৬৫ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
স্রোতের বিপরীতে দলকে টেনে ৭৭ বলে ৭০ রান করেন লিটন দাস। ১২০ ওভার কিপিং করেও দারুণ ব্যাট করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১৩টি বাউন্ডারির মার। তার বিদায়ে অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে সফরকারীদের। কেশব মহারাজের বলে বিদায় নেন মোস্তাফিজ। রাবাদার পঞ্চম শিকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন ১০ রান করা রুবেল।
বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হতে বিলম্ব হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর শুরু হয় ম্যাচ। অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামেন প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান হাশিম আমলা এবং দলপতি ফাফ ডু প্লেসিস। মোস্তাফিজের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৮তম সেঞ্চুরি তুলে নেন আমলা। ১১৩ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি। সর্বোচ্চ ৪৫ সেঞ্চুরি নিয়ে প্রোটিয়াদের সাবেক তারকা ১৬৫ টেস্ট খেলা জ্যাক ক্যালিস শীর্ষে। ১০৯ টেস্ট খেলা আমলার সেঞ্চুরির সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮-এ। এরপরই সেঞ্চুরি হাঁকান