• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন |

কবি বেলাল চৌধুরী লাইফ সাপোর্টে

হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. ফিরোজ আহমেদ কোরেশীর তত্ত্বাবধানে এখন তার চিকিৎসা চলছে। কবি বেলাল চৌধুরী ট্রনিক কিডনি ডিজিজ, রক্তশূন্যতা, হাইপোথাইরোটিজসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।

কবি’র ঘনিষ্টজন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. হারিসুল হক আরটিভি অনলাইনকে জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই কবি নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন। শুক্রবার তার অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। পরে আমেরিকা প্রবাসী কবি’র দুই ছেলে মেয়ের অনুরোধেই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

কবির বড় ছেলে আবদুল্লাহ প্রতীক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ চার মাস ধরেই বেলাল চৌধুরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়।

পরে শুক্রবার অবস্থার আরও অবনতি হলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। তিনি জানান চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার যে অবস্থা সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে বেলাল চৌধুরীর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরী ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস থেকে প্রকাশিত ‘ভারত বিচিত্রা’র সম্পাদক।

রূপালী গ্রুপের ‘সাপ্তাহিক সন্দ্বীপ’ পত্রিকাটিও সম্পাদনা করেন তিনি। বেশ কয়েক বছর ভারতের কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’এ কাজ করেন। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে, ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থিরজীবন ও নিসর্গ’, ‘স্বপ্নবন্দী’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘যাবজ্জীবন সশ্রম উল্লাসে’, ‘বত্রিশ নম্বর’। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৪ সালে তিনি একুশে পদক পান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ