সিসি ডেস্ক, ০৭ জুন: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করছেন। এতে আগামী বাজেটে যেসব পণ্যের উপর শুল্ক প্রত্যাহার ও শুল্ক কমানো হয়েছে সেসব পণ্যের দাম কমবে। আর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বাড়বে অনেক পণ্যের দাম।
দাম কমবে
দেশীয় রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসারসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ, টায়ার টিউব উৎপাদনের কাঁচামাল, দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেল, হাইব্রিড গাড়ি, লোহা-ইস্পাত, হাঁস-মুরগির খাবার, ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, ক্যান্সারের ওষুধ, গুঁড়ো দুধ, ছবি ছাপানো ও ফটোগ্রাফি সামগ্রী, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও সফটওয়্যার, মোবাইল ফোনের কাঁচামাল, আমদানিকৃত ভুট্টা, বলপয়েন্ট কলম, হাতে তৈরি বেকারি সামগ্রী ও সিমেন্ট। এছাড়া কৃষিজমির রেজিস্ট্রেশন ফি কমবে।
মোটরসাইকেল : দেশীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। এতে দাম না কমলেও আগের দামেই মোটরসাইকেল কেনা যাবে।
হাওয়াই চপ্পল : শর্তসাপেক্ষে ১৫০ টাকা পর্যন্ত প্লাস্টিক ও রাবারের তৈরি হাওয়াই চপ্পল ও পাদুকার ওপর ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এতে এ জাতীয় পণ্যের দাম কমবে।
বীজ : কৃষিকাজে ব্যবহৃত বীজ আমদানিতে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে চাষাবাদে ব্যবহৃত বীজের দাম কমতে পারে।
হাইব্রিড গাড়ি : পরিবেশ দূষণ এবং জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য হাইব্রিড গাড়ির আমদানি উৎসাহিত করার জন্য ১৮শ সিসি পর্যন্ত হাইব্রিড মোটরগাড়ি আমদানি সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হচ্ছে।
ওষুধ : কিডনি রোগের প্রতিষেধক আমদানিতে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এতে কিডনি রোগীরা কিছুটা কম দামে হলেও ওষুধ কিনতে পারবেন।
পাউরুটি ও কেক : দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষেরা প্রতিকেজি ১০০ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত পাউরুটি ও বনরুটি, হাতে তৈরি বিস্কুট ও হাতে তৈরি কেক (পার্টিকেক ব্যতীত) খেয়ে থাকেন। তাই প্রতিকেজি ১০০ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত পাউরুটি, বনরুটি, হাতে তৈরি বিস্কুট এবং ১৫০ টাকা পর্যন্ত হাতে তৈরি কেক (পার্টিকেক ব্যতীত)-এর উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি সুবিধা প্রদান করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
কৃষিজমির রেজিস্ট্রেশন ফি : কৃষি জমির রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো হয়েছে।