• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন |

পাইলট মাসুদ মারা গেছেন

সিসি নিউজ ডেস্ক।। বাংলাদেশ বিমানের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুম মারা গেছেন। রবিবার নাগপুর হোপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)।

এর আগে গত শুক্রবার মধ্য আকাশে বড় ধরণের হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন বিজি-২২ ফ্লাইট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম। হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়ার পরও ফ্লাইটটিকে তিনি দক্ষতার সঙ্গে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করাতে সক্ষম হন। বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী ফ্লাইটটি জরুরি ভারতের নাগপুরে অবতরণ করে। ফ্লাইটে ১২৪ জন যাত্রী ছিল। ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুমের বুদ্ধিমত্তায় সকলের জীবন রক্ষা পায়। সেই পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

এর আগে ক্যাপ্টেন নওশাদ তাঁর বুদ্ধি ও কৌশল প্রয়োগ করে ১৪৯ যাত্রী, দুই পাইলট আর ৭ ক্রু’র জীবন বাঁচিয়েছিলেন। বিমান সূত্রে জানা গেছে, নওশাদ ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১২২ ফ্লাইটে ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন। তখন সেই ফ্লাইটটি মাস্কাট বিমানবন্দর থেকে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা করেছিল। টেক-অফ করার পর মাস্কাট বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে ক্যাপ্টেন নওশাদকে জানানো হয়, রানওয়েতে টায়ারের কিছু অংশ পাওয়া গেছে, যা সম্ভবত বিমান এয়ার ক্রাফটের হতে পারে।

পাইলট নওশাদ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে উড়োজাহাজটি চট্টগ্রাম অবতরণ না করে ঢাকা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। নওশাদ উড়োজাহাজটি রানওয়ের উপরে ‍দুইবার লো-লেভেলে ফ্লাই করেন। তখন দেখা যায়, উড়োজাহাজের পেছনের দুই নম্বর টায়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে দক্ষতার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত টায়ার ও ল্যান্ডিং গিয়ারসহই নিরাপদে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করাতে সক্ষম হন ক্যাপ্টেন নওশাদ।

ক্যাপ্টেন নওশাদকে ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যাপ্টেন রন অ্যাবেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রশংসাপত্র পাঠায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ