• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আসিফের বোমা: বরিশাল বুলস ফিক্সিংয়ে জড়িত!

asif_47507ঢাকা: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) ফিক্সিং নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এবার রীতিমতো বোমা ফাটালেন দেশের শীর্ষস্থানীয় সঙ্গিত শিল্পী আসিফ আকবর। তিনি জানালেন, তার দল বরিশাল বুলসের বিদেশী এবং দেশী খেলোয়াড়দের একটা অংশ ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িতম তিনি নিশ্চিত। আজ সোমবার ২.৩৬ মিনিটে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেয়া এস স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি তার স্ট্যাটাসে বলেন, আমার দল বরিশাল বুলসের বিদেশী এবং দেশী খেলোয়াড়দের একটা অংশ ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত আমি নিশ্চিত, প্রমান নেই। তবে বিসিবি এবং আকসু যদি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয় তাহলে অবশ্যই তারা প্রমান খুঁজে পাবেন আমার বিশ্বাস। গরীব দল বুলস, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের জন্য খারাপ লাগছে। তবে আমি কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি। আত্মঘাতি গোলে হেরে যাওয়ার জন্য বরিশাল বুলসের জন্য সমবেদনা।
এছাড়াও সম্প্রতি নানা মহলে বিপিএল নিয়ে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ শেষেই হঠাৎ গুঞ্জন শোনা যায়, ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন রংপুর রাইডার্সের খেলোয়াড় জুপিটার ঘোষ। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেট পাড়ায়। জুপিটার ঘোষের দাবি, তাকে ম্যাচ-ফিক্সিং করার জন্য দলের ম্যানেজার সানোয়ার হোসেন প্রস্তাব দেন। এরপর তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। এবার এরই ধারাবাহিকতায় বিপিএলে ফিক্সিং নিয়ে বোমা ফাটালেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ। আজ এ বিষয়ে তিনি তার ফেইসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
আসিফ আকবরের স্ট্যাটাস:

ক্রিকেট ক্রিকেট করে আমার এক জীবন গেলো । বরিশাল বুলস কর্তৃপক্ষের উৎসাহ এবং ভালবাসায় প্রায় আট বছর পর মাঠে গিয়েছি,অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। দর্শক, উত্তেজনা, মাঠের পরিবেশ সব মিলিয়ে অদ্ভূত মূর্ছনা । শুধু বিপথগামী ডিজে গুলোর হিন্দী গানের যন্ত্রনাটা একটু পীড়া দিয়েছে, মেরুদন্ড না থাকলে যা হয় আর কি।

সব নির্মল অনুভূতি গুলোতে পানি ঢেলে দিয়েছে সন্দেহ। ১৭,১৮,১৯ এবং ২০ নম্বর ওভার গুলোতে ব্যাটসম্যানরা হয়ে যায় প্রতিবন্ধী আর বোলাররা হয়ে যায় বাঘ। T-20 ক্রিকেট জুয়ার অপর নাম । দর্শক হিসেবে মাঠে যাই খেলা দেখতে আর আমাদের নিয়ে খেলা হয় টেবিলে ।সন্দেহ ঢুকেছে প্রেসবক্সেও ।

অন্য কোন দলের কথা বলবো না । আমার দল বরিশাল বুলসের বিদেশী এবং দেশী খেলোয়াড়দের একটা অংশ ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত আমি নিশ্চিত, প্রমান নেই । তবে বিসিবি এবং আকসু যদি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয় তাহলে অবশ্যই তারা প্রমান খুঁজে পাবেন আমার বিশ্বাস। গরীব দল বুলস ,ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের জন্য খারাপ লাগছে। তবে আমি কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি। আত্মঘাতি গোলে হেরে যাওয়ার জন্য বরিশাল বুলসের জন্য সমবেদনা । ছিলাম আছি থাকবো ক্রিকেটের সঙ্গে। জয় হোক বাংলাদেশ ক্রিকেটের । অনেক হয়েছে, এবার একটু রেকর্ডিং এ মনযোগ দেই … ভালবাসা অবিরাম …………


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ