• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজ বিমানটির ধ্বংসাবশেষ বঙ্গোপসাগরে!

bimanআন্তর্জাতিক ডেস্ক : মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানটির ধ্বংসাবশেষ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বলে দাবি করেছে অস্ট্রেলিয়ার অনুসন্ধানী কোম্পানি জিওরিজোন্যান্স। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম সেভেন নিউজ এ খবর দিয়েছে। জিওরিজোন্যান্স দাবি করেছে, তারা মালয়েশীয় ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০’র ধ্বংসাবশেষ বঙ্গোপসাগরে ভাসতে দেখতে পেয়েছেন। প্রাপ্ত প্রমাণাদি তারা বিমানটি নিখোঁজের তিন দিন আগের তোলা ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখে নিশ্চিতের পরেই এ দাবি করেছেন।
গত ১০ মার্চ নিখোঁজ এ বিমানটির অনুসন্ধান শুরু করেছে জিওরিজ্যোন্যান্স। গত ৮ মার্চ ২৩৯ আরোহীসহ মালয়েশিয়া থেকে চীনে যাওয়ার পথে এমএইচ ৩৭০ বিমানটি নিখোঁজ হয়।

এই অনুসন্ধান অভিযানের নেতা অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট সোমবারই বলেছেন, সাগরের উপরিভাগে ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার সম্ভাবনা এখন আর নেই বললেই চলে। কোম্পানিটির কর্মকর্তা ডেভিড পোপ বলেন, “২০ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে আমাদের বিশেষজ্ঞরা। তারা তো প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেনি, তারা কী পেয়েছে বঙ্গোপসাগরে।”

তিনি বলেন, “সেখানে একটি বাণিজ্যিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন পেয়ে তারা খুবই উজ্জীবিত। আমাদের ধারণা, এটা মালয়েশিয়ার বিমানেরই কিছু উপাদান।” ‘জিওরেজোন্যান্স’ এর কর্মকর্তা পাভেল কার্সা বলেন, তারা একটি বোয়িং-৭৭৭ বিমানের গঠন উপাদানের কিছু পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম, কপার, স্টিল ইত্যাদি।

নতুন পাওয়া এসব উপাদান মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িংটিরই কি না, তা খতিয়ে দেখতে ‘জিওরেজোন্যান্স’ সাগরের ওই এলাকার ৫ মার্চের অর্থাৎ বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন আগে তোলা চিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে।

এরপর তারা মোটামুটি ধারণা নিলেও পোপ বলেন, “আমরা এখনো এটা বলছি না যে এই উপাদানগুলো নিখোঁজ বিমানটিরই। তবে এর সূত্র ধরে বিমানটির হদিস মিলতে পারে।” বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর বাংলাদেশের নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধান চালিয়েছিল, কিন্তু ১২ দিন খুঁজেও এর কোনো সন্ধান মেলেনি। সৌজন্য-নতুন বার্তা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ