• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন |

থারাঙ্গার সেঞ্চুরিতে শ্রীলংকার ২০০ পার

খেলাধুলা ডেস্ক: বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতির পর উপুল থারাঙ্গার সেঞ্চুরিতে শ্রীলংকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২০০ রান। যদিও তিনি ব্যক্তিগত ১১৫ রানে আউট হয়ে ফিরে গেছেন। ২০০ রান পূর্ণ হওয়ার সময় ক্রিজে ছিলেন দিনেশ চান্দিমাল ২৩ রানে এবং নিরোশান ডিকওয়েলা ছিলেন ১ রানে।
এর আগে লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে শ্রীলংকার সংগ্রহ ছিলো এক উইকেটে ৮৭ রান। তখন ক্রিজে ছিলেন উপুল থারাঙ্গা ৪০ রানে এবং কুশল মেন্ডিস ৮ রানে।

টেস্টের তৃতীয় দিনে শ্রীলংকার প্রথম ইনিংসের ৪৯৪ রানের জবাবে ৩১২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ১৮২ রানে এগিয়ে থাকে শ্রীলঙ্কা। এই রান সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম (৮৫), সৌম্য সরকার (৭১), তামিম ইকবাল (৫৭) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের (৪১) রান।

এর আগে দ্বিতীয় দিন শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। আর ব্যাটিংয়ে নেমে লঙ্কানদের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে রেকর্ড জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। ওপেনিং জুটিতে আগের রেকর্ডটিতেও ছিলেন তামিম। ২০১৩ সালের কলম্বো টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে জহুরুল ইসলামকে নিয়ে ৯১ রানের পার্টনারশিপ করেছিলেন দেশসেরা ওপেনার। এদিন তামিম ও সৌম্য মিলে ১১৮ রানের জুটি গড়েন।

তবে দারুণ খেলতে থাকা তামিম এক শিশুতোশ রান আউটে ক্রিজ ছাড়েন। লক্ষন সানদাকানের বলে খোঁচা দেন। কিন্তু বল উইকেটরক্ষক নিরোশান দিকওয়ালার কাছে চলে গেলে আম্পায়ারের কাছে আবেদন করে লঙ্কানরা। তবে কি বুঝে রান নেয়ার জন্য দৌড় শুরু করেন তামিম। আর তাতেই দিকওয়ালা স্ট্যাম্প ভেঙে দেন। তামিম হয়তো ভেবেছিলেন বল ধরতে পারেননি উইকেটরক্ষক। তিনি ১১২ বলে ছয়টি চারের সাহায্যে ৫৭ রান করেছিলেন।
তামিমের পর উইকেটে থিতু হতে পারেননি মুমিনুল হক। এসে মাত্র ৭ রান করে দিলরুয়ান পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। কিন্তু দিনের বাকি সময়টা আর কোনো ভুল হতে দেননি সৌম্য ও মুশফিকুর রহিম। অসাধারণ খেলা সৌম্য ১৩৩ বলে সাতটি চার ও এক ছক্কায় ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে ১ রানে মাঠ ছেড়েছেন অধিনায়ক মুশফিক।
এর আগে কুশাল মেন্ডিসের ১৯৪ রানের সুবাদে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ করে শ্রীলঙ্কা। হাফসেঞ্চুরি করেন আসেলা গুনারত্নে, দিকওয়ালা ও পেরেরা। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। দুটি উইকেট পান মোস্তাফিজুর রহমান। আর একটি করে উইকেট দখল করেন তাসকিন আহমেদ, শুভাশিস রায় ও সাকিব আল হাসান।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শুভাশিস রায়।
শ্রীলঙ্কা একাদশ: দিমুথ করুনারাত্নে, উপুল থারাঙ্গা, কুশল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা (উইকেটরক্ষক), অসিলা গুনারাত্নে, দিলরুয়ান পেরেরা, রঙ্গনা হেরাথ (অধিনায়ক), সুরাঙ্গা লাকমল, লাহিরু কুমারা, লক্ষণ সান্দাকান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ